Cabinet Meeting: মমতার ধমক খেলেন একাধিক মন্ত্রী, ক্যাবিনেট বৈঠক থেকে বেরিয়েই ফোন শুভেন্দুকে!
Cabinet Meeting: আজ ছিল রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেখানে একাধিক মন্ত্রীর কাজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে সূত্রের খবর।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, ক্যাবিনেট মিটিংয়ে তাঁর লোক ছিল। বৈঠক সেরে তাঁরা বৈঠকে আলোচনা হওয়া সব কিছুই জানিয়েছেন বলে দাবি শুভেন্দুর।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রীদের কাছে জানতে চেয়েছেন কেন তাঁরা আরজি কর কাণ্ড-সহ নানা ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়া সক্রিয় নন? কেন দলের হয়ে তাঁরা পোস্ট করছেন না? কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইট রিটুইট করছেন না? কেন আইপ্যাক বা ফ্যামের পোস্ট ছড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না?
সূত্রের খবর, সেচ, পঞ্চায়েত, জনস্বাস্থ্য ও কারিগরী, আইন দফতরের কাজ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কাজ হ্যাম্পার হচ্ছে। এমন কিছু হলে আমি ছেড়ে কথা বলব না। আমার কাছে প্রত্যেক জেলার ফিল্ড রিপোর্ট আসছে। আমার কাছে জেলা থেকে ফিল্ড রিপোর্ট আসছে। সবাইকে ভালোভাবে কাজ করতে করতে হবে।
সব মন্ত্রীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, মন্ত্রী পুলক রায়কে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, "কী করছো তুমি? বর্ধমানে তোমার পিএইচই-র কাজ নিয়ে অভিযোগ আসছে। রাস্তা খোঁড়া হচ্ছে, কিন্তু রাস্তা সারাইয়ের কাজ হচ্ছে না। এমন অভিযোগও জমা পড়েছে। ঠিকভাবে কাজ করো।"
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের কাজ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, " আপনি যদি চালাতে না পারেন, তাহলে আমি নিয়ে নেব। আইনে কী করছেন? বনধ নিয়ে কিছু করতে পারলেন না?"
নবান্ন অভিযানে যেসব পুলিশ আহত হয়েছেন তাঁদের সঙ্গে দেখা করার দায়িত্ব দেওয়া হলো বিভিন্ন মন্ত্রীদের। ফিরহাদ হাকিমকে সিএমআরআই, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে ফরটিস হাসপাতালে যেতে বলা হয়। ধর্ষণ এবং নারী নির্যাতনের উপর বিল আনার বিষয়টিও অনুমোদিত হয়। আগামী মাসের প্রথম দিকেই বিধানসভার অধিবেশন। বিশেষ অধিবেশনে মঙ্গলবার সেই বিল পেশের সম্ভাবনা।
রাজ্যের পঞ্চায়েত ও সেচ দপ্তরের কাজের খতিয়ান দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকেই দুই দফতরের কাজের খতিয়ান পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ওডিশায় বাঙালিদের কিছু সমস্যা হচ্ছে। সেখানে কাজ করতে যাচ্ছেন অনেকে, কিন্তু বাংলাদেশী হিসেবে গণ্য করায় তাঁদের কাজে প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে বলে অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রী ওডিশার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কথা বলার জন্য স্বরাষ্ট্র সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
প্রায় ৭০০টি শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে এদিনের রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে। তার মধ্যে রাজ্যের অগ্নি নির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা দফতরে ১৫০টির বেশি শূন্য পদ তৈরি, রাজ্য পুলিশের এসআই পদে প্রায় ৫০০টিরও বেশি শূন্যপদ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংখ্যালঘু উন্নয়ন, স্বরাষ্ট্র দফতরেও কয়েকটি শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications