করোনা রুখতে বিকল্প পথ দেখালেন মমতা, নয়া গাইডলাইনে কোন জোনে কী সুবিধা
করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় এবার নতুন পথ বেছে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রও বলেছে, মমতাও মনে করেন এই ঝক্কি এখনই যাওয়ার নয়।
করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় এবার নতুন পথ বেছে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রও বলেছে, মমতাও মনে করেন এই ঝক্কি এখনই যাওয়ার নয়। করোনাকে সঙ্গী করেই বিকল্প ভাবনা-চিন্তা করতে হবে। তার জন্য নির্দিষ্ট কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তিনমাসের জন্য শর্টটার্ম প্ল্যানের কথা জানালেন তিনি।

জোন ভেঙে পৃথক পৃথক ব্যবস্থা
মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই আমরা জোনগুলিকে আরও ভেঙে দিচ্ছি। তারপরই জোন অনুসারে পৃথক পৃথক ব্যবস্থা নিচ্ছি। পুলিশকে এই মর্মে একটা প্রাথমিক গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সেই গাইডলাইন মতে পরিকল্পনা করবে, তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রেড জোনকে তিনটি জোনে ভাগ
মুখ্যমন্ত্রী জানান, রেড জোনকে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। রোড জোন এ-তে কিছুতেই ছাড় দেওয়া যাবে না। রেড জোন বি-তে সামাজিক দূরত্ব মানলে ছাড় দেওয়া হবে। রেড জোন সি-তে ছাড়া দেওয়া হবে শুধু অত্যাবশ্যকীয় পণ্যে। পুলিশ ঠিক করবে কোন জোনে কী ছাড় দেওয়া হবে। তেমনি গ্রিন জোন জেলার মধ্যে বাস-ট্যাক্সি চলবে।

পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গে বার্তা
মমতা বলেন, বাংলায় প্রায় ১ লক্ষেরও বেশি মানুষ ঢুকে গিয়েছেন। প্রচুর বাস ঢুকেছে, ছোট গাড়ি ঢুকেছে, হাঁটা পথেও অনেকে এসেছে। এখন ট্রেনও আসছে। আমরা সবাইকে ফেরাব। তবে ধাপে ধাপে ফেরানো হবে। কেননা একসঙ্গে সবাইকে ফেরালে সমস্যা বাড়বে। সবাইকে স্ক্রিনিং করে তারপর ফেরানোর বন্দোবস্ত করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৯টি ট্রেনের একটি এসে পৌঁছেছে। বাকি ট্রেনগুলিও আসছে। আরও কিছু ট্রেন চালানো হবে।

জীবন-জীবিকার সঙ্গে লড়াই করতে হবে
তিনি আরও সিদ্ধান্ত নেন এদিন। তাঁত হাট, খাদি বাজার, বাংলা হাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। বিড়ি-চা শিল্পে ৫০ শতাংশ কর্মীকে নিয়ে কাজ করা যাবে। ১১ লক্ষ কিষাণ ক্রেডিট কার্ড সক্রিয় করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে রাজ্যে কাজের পরিবেশ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজনৈতিক লড়াই করার সময় নয় এখন। এখন জীবন-জীবিকার সঙ্গে লড়াই করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications