রাজ্যে ঘনিয়ে আসছে ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ইয়াসের পরেই ছিল ১২ জুনের বান (high tide)। তবে এর মধ্যে ইয়াসের ফলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলি। ১২ জুনের আগেই মুখ্যমন্ত্রী ১২ জুন এবং ২৬ জুন সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এবার সামনেই ২৬ জুন। এদিন নবান্নে
ইয়াসের পরেই ছিল ১২ জুনের বান (high tide)। তবে এর মধ্যে ইয়াসের ফলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলি। ১২ জুনের আগেই মুখ্যমন্ত্রী ১২ জুন এবং ২৬ জুন সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এবার সামনেই ২৬ জুন। এদিন নবান্নে করা সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) সম্ভাব্য বান এবং বৃষ্টি (rain) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

শনিবার বান আসছে
এদিন নবান্নে করা সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শনিবার বান আসছে। বড় বান আসছে। সাগরে ৬ মিমি-র মতো উচ্চতা থাকবে। সেই সময় সাগরে জলের উচ্চতা বেশি থাকবে। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলছে। যেখানেই বেশ বৃষ্টি হচ্ছে, সেখানকার জেলাশাসকদের সতর্ক করা হচ্ছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্য সরকার যতটা সম্ভব ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

বানে ক্ষতির আশঙ্কা
এদিন মুখ্যমন্ত্রী ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টির কারণে দামোদরে জল ছাড়ার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এর সঙ্গে বৃষ্টি হলে আরামবাগ, খানাকুল, আমতা, বাগনান, বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়ায় ক্ষতি হতে পারে। বাঁধের জল ছাড়ার ক্ষেত্রে সব দিক পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ কারও হাতে নেই। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর প্রস্তুত রয়েছে।

১১ জুলাই আছে আরও একটি বান
মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, ১১ জুলাই আরও একটি বান আসছে। সেটিও ভয়ঙ্কর হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান একবছরে যে বৃষ্টি হওয়ার কথা তা ১৯ দিনেই হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য দিন কয়েক আগেই আবহাওয়া দফতর রাজ্যে অতিরিক্ত বৃষ্টির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছিল, রাজ্যে বিস্তীর্ণ অংশে ইতিমধ্যেই অন্যবারের থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। প্রসঙ্গত ইয়াসের সময় নবান্নের কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি করতে দেখা গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয় হচ্ছে। কেন একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয় তা খতিয়ে দেখতে নদী বিশেষজ্ঞ কল্যাণ রুদ্রের নেতৃত্বে ২৪ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল গঠনের কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications