লকডাউনে বন্দি পয়লা বৈশাখ, নববর্ষ উদযাপনে রাজ্যবাসীকে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্য জুড়ে চলছে লকডাউন। মার খাচ্ছে বাঙালির সাধের চৈত্র সেলের বাজার। সেলের বাজারে গড়িয়াহাটে না যেতে পেরে প্রাণ হাঁফিয়ে উঠেছে বাঙালির।
রাজ্য জুড়ে চলছে লকডাউন। মার খাচ্ছে বাঙালির সাধের চৈত্র সেলের বাজার। সেলের বাজারে গড়িয়াহাটে না যেতে পেরে প্রাণ হাঁফিয়ে উঠেছে বাঙালির। একই দশা রাজ্যের অন্যবাজারগুলিরও। শুনশান রাস্তাঘাট। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান ছাড়া কোনও দোকানই খোলা থাকছে না।

সেলেবাজারের হুড়োহুড়ি। গলদঘর্ম গয়ে সেরা জিনিসটা দরদাম করে বাড়ির জন্য কিনে নিয়ে যাওয়ার আনন্দে জল ঢেলে দিয়েছে করোনা ভাইরাস। এবার আর পয়লা বৈশাখের নতুন পোশাকের গন্ধ আর কেউ পাবেন না। ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত গোটা দেশেই লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস ততদিনে পাত্তারি গুটাবে কিনা সেটা সন্দেহের এই অবস্থায় বাঙালির পয়লা বৈশাখের আনন্দ একেবারেই যাতে মাটি না হয় তার জন্য আশ্বাস দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এতটা কড়াকড়ি থাকবে কিনা ,সেটা ৩১ মার্চ ঠিক করবেন তিনি। সেদিন লকডাউন শিথিল নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন।
এতে একটু হলেও আশার আলো দেখছেন রাজ্যের বাসিন্দারা। যদিও লকডাউনের মাঝেও খাবারের হোমডেলিভারি কিন্তু চলছে। রেস্তোরাঁর ঝাঁপ ফেলা থাকলেও হেমডেলিভারি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। খোলা রয়েছে বাজার হাটও। এই লকডাউনের মধ্যেই মহারাষ্ট্রে বাসিন্দারা নববর্ষ উদযাপন করেছেন। পাঞ্জাবেও বৈশাখী উদযাপিত হচ্ছে এই পরিস্থিতিতেই।












Click it and Unblock the Notifications