চারদিক থেকেই বিজেপি দফতর ঘিরে বিশাল পুলিশবাহিনী! মিছিল হবেই, প্রকাশ্যে বচসায় সাংসদ-নেতারা
দিওয়ালির রাতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে কেন্দ্র। এক ধাক্কায় অনেকটাই কমেছে দাম। মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের পরেই একাধিক রাজ্যে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে। কিন্তু এখনও পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমানো নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি
দিওয়ালির রাতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে কেন্দ্র। এক ধাক্কায় অনেকটাই কমেছে দাম। মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের পরেই একাধিক রাজ্যে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমিয়েছে। কিন্তু এখনও পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমানো নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি তৃণমূল সরকার। আর কেন? এই দাবিতেই পাল্টা বঙ্গ বিজেপির মিছিল।
Recommended Video
কিন্তু মিছিল বের হওয়ার আগেই তা আটকে দেওয়া হল। বিশাল পুলিশবাহিনী গোটা বিজেপি সদর দফতর ঘিরে রাখা হয়। কিন্তু কেন ঘিরে রাখা হয়েছে তা নিয়ে প্রকাশ্যে বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘাত পুলিশের।

বেশ কয়েকজনকে আটকের খবর
বিজেপি'র এই কর্মসূচী ঘিরে সকাল থেকেই উত্তেজনা ছিল। সেই মতো শহর এবং শহরতলীর বিভিন্ন অংশ থেকে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করে। কিন্তু দেখা যায় বেলা বাড়তেই মিছিল আটকে দেওয়ার জন্যে ব্যাপক পুলিশ নামানো হয় আমহাস্ট স্ট্রিটে। শুধু তাই নয়, মুরলিধর সেন স্ট্রিটে থাকা বিজেপি দফতর ঘিরে ফেলে কলকাতা পুলিশ। চারপাশ থেকে আটকে দেওয়া হয় বিজেপি দফতরকে। আর তা নিয়ে কার্যত পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আটকও করা হয়। তবে বিজেপি কর্মীদের হুঁশিয়ারি, মিছিল হবেই। শুধু তাই নয়, আগামীদিনে লাগাতার আন্দলনের হুঁশিয়ারি বিজেপি রাজ্য সভাপতির। তবে অশান্তির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

বিজেপির আন্দোলনকে ভয় পেয়েছে তৃণমূল
তবে পুলিশের এই ভূমিকা দেখে তীব্র কটাক্ষ বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের। তাঁর দাবি, বিজেপির আন্দোলনকে ভয় পেয়েছে তৃণমূল সরকার। আর সেই কারনে এভাবে পুলিশকে দিয়ে গোটা বিজেপি দফতরকে ঘিরে ফেলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পুলিশের ভুমিকা নিয়েও তোপ সুকান্তের। তাঁর দাবি, পুলিশের এখন দুটি কাজ। একটা কালীঘাটে মমতার বাড়ি পাহাড়ে দেওয়া এবং বিজেপির দফতরকে ঘিরে রাখা। আন্দোলন করতে না দেওয়া। বিজেপি সাংসদ বলেন, যখন তৃণমূল মিছিল করে তখন করোনা থাকে না। আর বিজেপি মিছিল করলেই কি করোনা বেরিয়ে আসে? প্রশ্ন বিজেপি নেতার।

তত বিজেপি বাড়বে
অন্যদিকে মমতাকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দুও। তাঁর দাবি, যত মারবেন, তত বিজেপি বাড়বে। কেন্দ্র জ্বালানিতে শুল্ক কমালেও এখনও সেই পথে হাঁটেনি রাজ্যের তৃণমূল সরকার। তবে আমরা বাধ্য করব তৃণমূল সরকারকে পেট্রোপন্যের দাম কমানোর জন্যে।

দাম কমানোর ক্ষেত্রে আরও বড় এক পদক্ষেপ
প্রসঙ্গত, পেট্রলে লিটার প্রতি ৫ টাকা ও ডিজেলে লিটার প্রতি ১০ টাকা করে দাম কমিয়েছে মোদী সরকার। দীপাবলির আগে সাধারণকে স্বস্তি দিয়ে বড়সড় এই ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পর ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, ত্রিপুরা-সহ সব বিজেপি শাসিত রাজ্য। কিন্তু এখনও পেট্রোল-ডিজেলের উপর ভ্যাট কমানো নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এই রাজ্যে। আর তাতেই গন্ডগলের সূত্রপাত।












Click it and Unblock the Notifications