গোপন-ঘাঁটির খোঁজ মিলেছে! গুরুংকে ধরতে এখন সিকিমের দিকে তাকিয়ে সিআইডি
রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত বিমল গুরুংকে ধরতে তাঁদের সাহায্য করুক সিকিম পুলিশ। সিকিম পুলিশকে নিয়েই তাঁরা অভিযানে নামতে চান।
দক্ষিণ সিকিমে লুকিয়ে রয়েছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং। তাঁর মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন সিআইডি-রা। তাই মোর্চা-প্রধানকে ধরতে অভিযান চালানোর তৎপরতা শুরু করে দিল রাজ্য পুলিশ। আর এই অভিযান চালাতে রাজ্য পুলিশ চিঠি লিখে সহায়তা চাইল দক্ষিণ সিকিমের পুলিশ সুপারের।
শুক্রবার সিআইডির তরফে দক্ষিণ সিকিম পুলিশকে চিঠি লিখে অনুরোধ করা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত বিমল গুরুংকে ধরতে তাঁদের সাহায্য করুক সিকিম পুলিশ। সিকিম পুলিশকে নিয়েই তাঁরা অভিযানে নামতে চান। একবার বিমল গুরুংকে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন সিআইডি-রা, এবার আর যাতে মোর্চা প্রধান পালাতে না পারেন, তার জন্য আটঘাট বেঁধেই নামতে চাইছে রাজ্য পুলিশ।

এত কিছুর পরও বিমল গুরুং সিকিম থেকে হুঙ্কার চাড়ছেন। তাঁর মদতেই পাহাড়ে অশান্তি জি্ইয়ে রাখা হচ্ছে। যতই ১২ সেপ্টেম্বর উত্তরকন্যার বৈঠকের দিন এগিয়ে আসছে, ততই পাহাড় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পরিকল্পনা করেই এই উত্তাপ ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। শুক্রবার ফের মোর্চার কর্মী-সমর্থকরা বনধের সমর্থনে মিছিল করে। মোর্চা-কর্মীদের বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে গেলে ধুন্ধুমার বেধে যায় দার্জিলিংয়ের চকবাজারে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয়। পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের সেলও পাঠানো হয়।
এমনিতেই পাহাড়ে মোর্চা কোণঠাসা। তবু ভাঙলেও মচকাচ্ছে না গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সমর্থকরা। বিমল গুরুং গা-ঢাকা দিয়ে বসে রয়েছে সিকিমে। তাঁর উপর লুকআউট নোটিশ, গ্রেফতারি পরোয়ানার খাঁড়া ঝুলছে। মোর্চা আড়াআড়ি দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। তবু তিনি নির্দেশ দিচ্ছেন পাহাড়ে অশান্তি চালিয়ে যাওয়ার। এখনও পৃথক রাজ্যের দাবিকে সামনে রেখে নিজেদের শক্তি পরীক্ষা করে চলেছে মোর্চা। পাহাড় তাই কীভাবে শান্ত হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা।












Click it and Unblock the Notifications