চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে মুছে গেল 'ভেদাভেদ'! রক্ত দিয়ে ২ শিশুর প্রাণ বাঁচালেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায় রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন দুই শিশুর।
রাজ্যে জুড়ে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যখন চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, চিকিৎসা পরিষেবা না পেয়ে মৃত্যুর অভিযোগ উঠছে, ঠিক সেই সময় রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায় রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন দুই শিশুর। চিকিৎসকের এই মানবিক কাজে বহু মানুষ সোস্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার বন্যা বইয়ে দিয়েছেন৷

শনিবার রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে শিশু বিভাগে রাউন্ড দিতে গিয়েছিলেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায়। হাসপাতালে শিশু বিভাগে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই শিশু ভর্তি রয়েছে। পার্শ্ববর্তী রাজ্য বিহারের কাটিহার জেলার আনাদপুর থানার বেলুয়া গ্রামের বাসিন্দা পেশায় রঙ মিস্ত্রি মহম্মদ আরজুর পাঁচ বছরের ছেলে মহম্মদ জিসান ও দুই বছরের কন্যা সন্তান আরজান ঋতুর অবস্থা খুবই খারাপ। সেসময় তিনি দুই দুস্থ শিশুকে দেখে জানতে পারেন তাদের শরীরে রক্তের অভাব। তিনি শিশু দুটির রক্তের গ্রুপ দেখে বুঝতে পারেন তাঁর রক্তের গ্রুপের সঙ্গে মিল রয়েছে। দেরি না করে চিকিৎসক নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায় রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে গিয়ে রক্ত দান করেন। হাফ ছেড়ে বাঁচেন পরিবারের সদস্যরা। খুশি শিশুদুটির মা নাজিমা খাতুন।

চিকিৎসক নীলাঞ্জন মুখোপাধ্যায় এনআরএস কাণ্ড নিয়ে বলেন, তিনি জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে সহমত পোষণ করছেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক কাজ রোগীদের চিকিৎসা করা। আর সমাজের মানুষের কাছে তাঁর বার্তা, চিকিৎসকরাও মানুষ, সুস্থভাবে রোগীদের চিকিৎসা করার মানসিকতা ফিরিয়ে দেওয়া হোক।












Click it and Unblock the Notifications