হয় ‘জ্ঞানপাপী’, নয় তো ‘আহাম্মক’ বিজেপির ওই নেতা! তোপ দাগলেন মমতা
মালদহের যুবক আফরাজুলের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বেদনাহত হয়ে মমতা বলেন, বিজেপির ওই নেতা জ্ঞানপাপী। তিনি হয় জেনেও না জানার ভান করছেন। নতুবা তাঁকে বলতে হয় আহাম্মক।
রাজনৈতিক কোনও কারণ নয়, নেহাতই মানবিক কারণে বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন। মালদহের যুবক আফরাজুলের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বেদনাহত হয়ে মমতা বলেন, বিজেপির ওই নেতা জ্ঞানপাপী। তিনি হয় জেনেও না জানার ভান করছেন। নতুবা তাঁকে বলতে হয় আহাম্মক। কিছুই জানেন না।

উল্লেখ্য, রাজস্থানে কাজ করতে যাওয়া আফরাজুলের খুন হওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের উন্নয়নে ব্যর্থ বলেই বাংলার ছেলেরা ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাচ্ছেন, তারই জেরে এইসব অপরাধ ঘটছে। মুখ্যমন্ত্রী যদি সত্যিকারের সংখ্যালঘু উন্নয়ন ঘটাতে পারতেন, তাহলে এঅ পরিস্থিতি তৈরি হত না, কাউকে ভিনরাজ্যে কাজ করতেও যেতে হত না। আর এই খুনও হত না। কেন বাংলা ছেড়ে সবাই ভিনরাজ্যে কাজ করতে চলে যাচ্ছে? প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।
সেই কথারই উত্তর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করেই দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করলেন। মমতা বলেন, বিজেপির নেতারা ইতিহাস জানেন না। রাজস্থান, বিহার, ওড়িশা-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক মানুষ পশ্চিমবঙ্গে কাজ করতে আসেন। পক্ষান্তরে বাংলার ছেলেরাও যায় বাইরে কাজ করতে। পেশাগত বাধ্যবাধকতার জন্যই ভিনরাজ্যে যায় সবাই। দীরে্ঘদিন ধরেই এই রীতি চলে আসছে।
তাঁর কথায়, এ থেকে বলতেই হয় বিজেপির ওই নেতা হয় জানেন না, নতুবা জেনেও না জানার ভান করছেন। অর্থাৎ তিনি জ্ঞানপাপী। আর যদি বাংলার ইতিহাস নিয়ে তিনি কিছুই না জানেন, তাহলে তাঁকে আহাম্মকই বলতে হয়। সেইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, রাজধর্ম পালন করতে নেমে তিনি কোনওদিন জাতি-ধর্ম-বর্ণ নিয়ে ভেদাভেদ করেননি। ভেদাভেদ করেননি রাজ্য নিয়েও। ভিনরাজ্যের মানুষ এখানে এলে যেমন রাজ্যের দায়িত্ব থাকে, তেমনই এ রাজ্যের মানুষ ভিনরাজ্যে গেলে, সেই রাজ্যের উপর আগলে রাখার দায়িত্ব বর্তায়। বিজেপি যে এই ভেদাভেদের রাজনীতি করতে চাইছে, বাংলার মানুষ তা বুঝে গিয়েছে। তাই তাঁদের রাজনৈতিকভাবেই বিতাড়িত করবে রাজ্যের মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications