আবার সেরা বাংলা, মমতার সরকারের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসায় কেন্দ্র
আবার সেরা বাংলা, মমতার সরকারের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসায় কেন্দ্র
রাজ্যের তৃণমূল সরকার আরও একটি প্রকল্প জাতীয় স্তরে সাড়া ফেলে দিল। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়ে নিল মমতার সরকার। রাজ্য বিজেপি যতই মমতার সরকারের নিন্দায় মুখর হোক জাতীয় স্তরে কিংবা আন্তর্জাতিক স্তরেও বাংলার প্রকল্পের কদর রয়েছে বেশ উঁচুতেই।

বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্রীয় সরকার।
নবান্নে চিঠি পাঠিয়ে মমতার সরকারের বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন দফতর। স্বভাবতই খুশির হাওয়া তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে। আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি নিজস্ব কিছু প্রকল্প জাতীয় স্তরের ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছিল। এবার বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কেন্দ্রীয় সরকার।

যে সব প্রকল্পে নাগরিক পরিষেবা তৃণমূল সরকারের
বাংলার বাড়ি প্রকল্প বাংলার মুকুটে আরও একটি পালক যোগ করেছে। নাগরিক পরিষেবা প্রদানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী, উৎকর্য বাংলা, বাংলার বাড়ি এমন একাধিক প্রকল্প চালু করেছিল। এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে জনসাধারণকে অনেক সহজে নাগরিক পরিষেবা দিয়ে আসছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার।

পিছিয়ে পড়া মানুষজনের মাথার উপর ছাদ তৈরিতে
শহরাঞ্চলে বাংলার বাড়ি প্রকল্পটি সমাজে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষজনের মাথার উপর ছাদ তৈরি করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল। আর গ্রামাঞ্চলে এই কাজই চলছে বাংলা আবাস যোজনা প্রকল্পের অধীনে। পঞ্চায়েক দফতর এই পরিষেবা প্রদান করে। আর শহরাঞ্চলে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের পরিষেবা দেয় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর।

বাংলার বাড়ি প্রকল্পে সাড়ে চার লক্ষ বাড়ির লক্ষ্যমাত্রা
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বাংলার বাড়িতে দেড় লক্ষ বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকার বাংলার বাড়ি প্রকল্পে সাড়ে চার লক্ষ বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে। প্রতিটি বাড়ি তৈরিতে খরচ হয় ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। এর ৬৭ শতাংশ টাকা দেয় রাজ্য আর বাকি ৩৩ শতাংশ টাকা দিতে হয় বাড়ির মালিককে।

সমাদৃত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার বাড়ি
রাজ্যে বাংলার বাড়ি প্রকল্পটি রূপায়ণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পুর ও নগরেন্নয়ন দফতরকে। দরিদ্রদের মাথার উপর ছাদ করে দেওয়ার লক্ষ্যে এই প্রকল্পের লোগো এঁকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। নীলসাদা বাড়িগুলির দেওয়ার লেখা বাংলার বাড়ি। এই বাংলার বাড়ি প্রশংসিত হল কেন্দ্রীয় স্তরে। কেন্দ্রীয় সরকারের নগরোন্নয়নমন্ত্রক চিঠি পাঠিয়ে সমাদৃত করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার বাড়িকে।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার থেকেও ভালো বাংলার বাড়ি
কেন্দ্রীয় সরকার স্বীকার করে নিয়েছে, বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্পটি সবথেকে এগিয়ে রয়েছে। পরিকল্পনা দ্রুত রূপায়িত হয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় অনেক এগিয়ে রয়েছে বাংলা। তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে এই প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল। পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, এই প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার থেকে অনেক ভালো কেন্দ্রীয় স্বীকৃতিই তার প্রমাণ।












Click it and Unblock the Notifications