BharatMala: আপাতত রাজ্যে হচ্ছে না 'ভারতমালা প্রকল্পে'র কাজ! সংঘাতের আবহেই হাইকোর্টে জানাল কেন্দ্র
ফের কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত! বাংলাতে ভারতমালা প্রকল্পের কাজ নিয়ে সংশয়। রাস্তা সম্প্রসারণ, সীমান্তবর্তী জেলাগুলির সঙ্গে আরও ভালোভাবে যোগাযোগ করতে ভারতমালা প্রকল্পের কাজ শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলাতেও সেই কাজ শুরু হয়। কিন্
ফের কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত! বাংলাতে ভারতমালা প্রকল্পের কাজ নিয়ে সংশয়। রাস্তা সম্প্রসারণ, সীমান্তবর্তী জেলাগুলির সঙ্গে আরও ভালোভাবে যোগাযোগ করতে ভারতমালা প্রকল্পের কাজ শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলাতেও সেই কাজ শুরু হয়। কিন্তু আইনি জটিলতায় সেই কাজ আটকে যায়।

আজ বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলা শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টে। আর মামলার শুনানিতে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের আইনজীবী জানান, আপাতত ভারতমালা প্রকল্পের কাজ বাংলাতে হবে না। যদিও আদালতে মৌখিক ভাবে এই কাজ হবে না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রের আইনজীবী।
তবে কেনকেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক এই প্রকল্পের কাজ বাংলাতে করতে চায় না? আদালতে সেই বিষয়ে কোনও কিছু স্পষ্ট করেননি! তবে সংঘাতের আবহেই কি এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের? আদালতে আইনজীবীর বক্তব্যের পরেই এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিকমহলের একাংশ।
উল্লেখ্য, সীমান্ত ঘেষে কার্যত সমস্ত রাজ্যেই ভারতমালা মালা প্রকল্পের কাজ চলছে। বাংলাতেও এই কাজ করতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই কারনে ২০১৭ সালে জমি অধিগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ-সহ সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে জমি অধিগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আর সেই মতো জেলার এই সীমান্ত এলাকাতে জমি অধিগ্রহনের বিজ্ঞপ্তি নেওয়া হয়। আর কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মুর্শিদাবাদের এক বাসিন্দা। জমি অধিগ্রহনকে চ্যালেঞ্জ করে এই মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলাতেই কেন্দ্রের কাছে জমি অধিগ্রহন সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট।
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলে। আর সেখানেই এই মামলার শুনানি চলাকালীন বক্তব্য রাখতে শুরু করেন কেন্দ্রের মন্ত্রকের আইনজীবী।
তাঁর দাবি, ভারতমালা প্রকল্পের কাজ আপাতত এই রাজ্যে বন্ধ রয়েছে। ফলে জমি অধিগ্রহনের কোনও প্রশ্ন উঠছে না বলেও আদালতে জানিয়েছেন মন্ত্রকের আইনজীবী। তবে এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ নিয়ে সরকারি ভাবে নবান্নে কোনও চিঠি পাঠানো হয়েছে কিনা সেই বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।
এমনকি কেন্দ্র এবং রাজ্যের তরফেও কিছু জানানো হয়নি এই বিষয়ে। তবে মৌখিক ভাবে আদালতে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের আইনজীবী কাজ বন্ধের কথা জানিয়েছেন। সরকারি কোনও বক্তব্যের নথিও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে কিনা জানা যায়নি।
উল্লেখ্য রাজ্যের মানুষ কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পান না। এই বিষয়ে বারবার তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। এমনকি কেন্দ্রের প্রকল্পগুলির নাম বদলে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ বিজেপির। যা নিয়ে সংঘাত নতুন কিছু নয়। আর সেই সংঘাতের মধ্যেই নয়া বিতর্ক।












Click it and Unblock the Notifications