দার্জিলিং থেকে বাহিনী প্রত্যাহার নিয়ে তরজা অব্যাহত, কেন্দ্রের আবেদন সুপ্রিম কোর্টে
পাহাড় থেকে বাহিনী প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সংঘাত আরও তীব্র হল। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে কেন্দ্র।
পাহাড় থেকে বাহিনী প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সংঘাত আরও তীব্র হল। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে কেন্দ্র। বাহিনী প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।

দার্জিলিং থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী তোলা নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য তরজা অব্যাহত। সম্প্রতি পাহাড় থেকে ১০ কাম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য সরকার। শুনানিতে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট।
পাহাড় অশান্ত হয়ে ওঠার পরেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়। সেই সময় কেন্দ্রকে বাহিনী পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।
সম্প্রতি দুই রাজ্যের ভোটকে সামনে রেখে পাহাড় থেকে বাহিনী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। একইসঙ্গে কেন্দ্রের তরফে অভিযোগ ছিল, পাহাড়ে বাহিনীকে বসিয়ে রাখা হচ্ছে। যে কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে করানো হচ্ছে, সেই কাজ হোমগার্ডরাও পারেন বলে জানানো হয়েছিল।

হাইকোর্টে রাজ্য সরকারের তরফে পাল্টা জানানো হয়, পাহাড় পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। শুনানিতে হামলায় পুলিশের এসআই-এর মৃত্যুর ঘটনাটিও তুলে ধরেন রাজ্যের আইনজীবী। এর প্রেক্ষিতেই ১৭ অক্টোবর কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট।
যদিও বাহিনী বিতর্ক শুধুমাত্র আদালতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয় বিষয়টি নিয়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনী তুলে নেওয়ার কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অমানবিক এবং অসাংবিধানিক বলে ব্যাখ্যা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলা ভাগে ইন্ধন দিতেই বিজেপি পার্টি অফিসের মদতে এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। অন্যদিকে, রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দার্জিলিং থেকে বাহিনী প্রত্যাহারে সায় দিয়েছিল।

হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে কেন্দ্র। বিচারপতি চেলানিস্বামীর বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে। কেন্দ্রের তরফে যুক্তি, যেসময়ে বাহিনী পাঠানো হয়েছিল, সেই সময়ের থেকে বর্তমান সময়ে পাহাড়ের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। একইসঙ্গে একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের জন্যও কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন। প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যের বলেও কেন্দ্রের তরফে যুক্তি খাড়া করা হয়েছে। শুক্রবার এই মামলা শুনানি হবে।












Click it and Unblock the Notifications