বিজেপিতে বিক্ষুব্ধের সংখ্যা বাড়ছে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তড়িঘড়ি নির্দেশ দিল মানভঞ্জনের

কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তড়িঘড়ি নির্দেশ দিল মানভঞ্জনের

একদিন আগেই বিজেপির বিক্ষুব্ধ সায়ন্তন বসু চিঠি লিখেছিলেন মোদী-শাহ-নাড্ডাকে। সেই চিঠি লেখার পরই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিল। বঙ্গ বিজেপিতে ক্রমেই বাড়ছে বিক্ষুব্ধের সংখ্যা। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্দেশ দিল অবিলম্বে বিক্ষুব্ধদের মানভঞ্জন করতে হবে। পঞ্চায়েত ভোট সামনে, তাই বিক্ষুব্ধদের মানভঞ্জন করে সবাইকে নিয়ে ভোট ময়দানে বাজিমাত করাই লক্ষ্য বিজেপির।

অবিলম্বে বিদ্রোহী বিজেপি নেতাদের মানভঞ্জন করতে হবে

অবিলম্বে বিদ্রোহী বিজেপি নেতাদের মানভঞ্জন করতে হবে

বিজেপিতে বিক্ষুব্ধের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আদি নেতা-কর্মীরা বিদ্রোহী হচ্ছেন। কেন বার বার এমন ঘটনা ঘটে। কেন বিদ্রোহ হচ্ছে বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। রিপোর্ট পেয়েই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বঙ্গ বিজেপিকে জানিয়ে দিল, অবিলম্বে বিদ্রোহী বিজেপি নেতাদের মানভঞ্জন করতে হবে। তাঁদের মানভঞ্জন করিয়ে সক্রিয় করতে হবে। তাঁদেরকে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করতে হবে।

আদি-নব্য নেতাদের এক হয়ে কাজ করতে হবে

আদি-নব্য নেতাদের এক হয়ে কাজ করতে হবে

কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, তালিকা তৈরি করে কথা বলতে হবে বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে। বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে বঙ্গ বিজেপির শাসক গোষ্ঠীর বর্তমান নেতারা কথা বলে তাঁদের মানভঞ্জন করবেন। তারপর তাঁদের সক্রিয় করে কর্মসূচি পালন করবেন। মোট কথা, কোনও বিভাজন নয়, আদি-নব্য নেতাদের এক হয়ে কাজ করতে হবে। আর সেটা বর্তমান নেতৃত্বকে গুরুত্ব সহকারে করতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

আদি নেতারা বর্তমানে দলে কোনও গুরুত্ব পাচ্ছেন না, অভিযোগ

আদি নেতারা বর্তমানে দলে কোনও গুরুত্ব পাচ্ছেন না, অভিযোগ

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ যাচ্ছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তীব্র হয়েছে আদি-নব্যের মধ্যে। আদি নেতারা বর্তমানে দলে কোনও গুরুত্ব পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁদেরকে বহু ক্ষেত্রেই ব্রাত্য করে রাখা হয়েছে। তার প্রভাব সরাসরি পড়ছে নির্বাচনে। বিগত অনেক নির্বাচনেই আদি নেতা-কর্মীদের একাংশ বসে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ। তার ফলে তৃণমূলের জয় সহজ হয়েছে।

দলে বিদ্রোহ না থামলে কোনওভাবেই তৃণমূলকে হারানো সম্ভব নয়

দলে বিদ্রোহ না থামলে কোনওভাবেই তৃণমূলকে হারানো সম্ভব নয়

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইছে, বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে বিভাজন দূর করতে। সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভোট ময়দানে না নামলে কোনওভাবেই তৃণমূলকে হারানো সম্ভব নয়। তারপর দুর্নীতি ইস্যুতে যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সঙ্ঘবদ্ধ লড়াইয়ের দরকার সেটাও পাওয়া যাচ্ছে না। বরং সিপিএম বা বামেরা অনেক সঙ্ঘবদ্ধ লড়াই করছে।

‘প্রেজেন্ট স্ট্যাটাস অফ পার্টি অ্যাফেয়ার্স ইন দ্য স্টেট অফ ওয়েস্টবেঙ্গল’

‘প্রেজেন্ট স্ট্যাটাস অফ পার্টি অ্যাফেয়ার্স ইন দ্য স্টেট অফ ওয়েস্টবেঙ্গল’

সায়ন্তন বসু একদিন আগেই বঙ্গ বিজেপির বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব হয়ে চিঠি লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে। চিঠি লিখে সায়ন্তন বসু দলের বঙ্গ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছিলেন, বঙ্গ বিজেপি সঠিক পথে চলছে না। তাঁর চিঠির সাবজেক্টে ছিল 'প্রেজেন্ট স্ট্যাটাস অফ পার্টি অ্যাফেয়ার্স ইন দ্য স্টেট অফ ওয়েস্টবেঙ্গল'। এই চিঠিতে তিনি বিজেপির উত্তরণের পথও বাতলে দিয়েছেন। তারপরই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বঙ্গ বিজেপিকে অবিলম্বে মানভঞ্জনের নির্দেশ দিল বিদ্রোহী নেতাদের সঙ্গে। এই নির্দেশ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ সায়ন্তনের চিঠির পর।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+