সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের মামলায় হাইকোর্টে প্রশ্নের মুখে সিবিআই
সিবিআইকে এবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা হাইকোর্টে। খোদ বিচারপতির প্রশ্নবাণে পড়ল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাইকোর্টে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের জামিনের আবেদনের মামলায় এবার সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন।
হাইকোর্টে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের মামলায় ফের সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে তোপ হাইকোর্টের। এত দিন মনে হল না জিজ্ঞাসাবাদের কথা? হঠাৎ জামিন পেতে পারে ভেবে সিবিআই ডেকে পাঠাল অভিযুক্তকে? প্রশ্ন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির। আগামী কাল ফের শুনানি।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই তাঁকে এত দিন জেরা করেনি। এত দিন পর তাঁকে সশরীরে সিবিআইয়ের স্পেশাল আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে নিম্ন আদালত। এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে গিয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু।
এখন যেহেতু অনলাইন হাজিরা গ্রহণীয়। এটা স্পষ্ট নয়, ওই নিম্ন আদালতের বিচারক কেন তাকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেননি! ভিডিওর মাধ্যমে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেত। মন্তব্য বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির।
সিবিআইয়ের প্রবল সমালোচনাও করেছেন বিচারপতি বাগচি।
হাইকোর্টের বিচারপতির প্রশ্ন, দেড় বছর অভিযুক্ত ইডির মামলায় আটকে। এখন হাইকোর্ট থেকে সেই মামলায় জামিন পেতে পারেন। তাই দেখে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন? এত দিন কী করছিল সিবিআই? প্রশ্ন বিচারপতি বাগচির।
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত বছরের ৩০ মে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের উপর তলার গভীর যোগাযোগ আছে৷ সেই কথাও চর্চায় উঠে আসে৷ গত কয়েক দিন ধরে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির মামলায় একের পর এক জামিন হচ্ছে। মানিক ভট্টাচার্য থেকে শুরু থেকে কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়দের জামিন হয়েছে। কালীঘাটের কাকুও এবার জামিন পেতে পারেন। সেই কথা চর্চায় উঠে আসে।
সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের আশঙ্কা, সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে। ৯ জুন মামলা শুরু হয়। সিবিআই ২০২৩ সালে সার্চ করে সিবিআই সুজয়কৃষ্ণকে গ্রেফতার করেছিল৷ এবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুমতি চায়। তাই নিয়েই প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।












Click it and Unblock the Notifications