CBI Summons Primary Teachers: বাঁকুড়ার ৭ প্রাথমিক শিক্ষককে তলব করল সিবিআই, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে গতি বাড়ছে?
CBI Summons Primary Teachers: রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে বিভিন্ন আদালতে ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হচ্ছে সিবিআই ও ইডিকে। তদন্তে এবার গতি আসার ইঙ্গিত মিলল। কালই নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠানো হলো ৭ প্রাথমিক শিক্ষককে।
তাঁদের প্রত্যেকেই বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহ শিক্ষক বা অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার পদে কর্মরত। নানাবিধ নথি নিয়ে কাল সকাল ১১টায় তাঁদের হাজির হতে বলা হয়েছে।

বাঁকুড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠিয়ে সিবিআই ডেকে পাঠায় ওই সাতজনকে। সেই চিঠির প্রেক্ষিতে নির্দেশিকা জারি করেছে বাঁকুড়া ডিপিএসসি। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের তদন্তের জন্যই এই তলব বলে জানানো হয়েছে। যে সাতজন শিক্ষককে ডেকে পাঠানো হয়েছে তাঁদের নামের পাশে রয়েছে ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার রোল নম্বরও।
যাঁদের ডাকা হয়েছে তাঁরা হলেন, স্বাধীন কুমার পাল, সায়ন্তনী বেজ, প্রিয়াঙ্কা লাহা, গণপতি মাহাতো, প্রিয়াঙ্কা নন্দী, হরেন্দ্রনাথ ধাড়া ও পারমিতা সিংহ মহাপাত্র। টেট পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, শিক্ষাগত নানা সার্টিফিকেট, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট, এলিমেন্টারি এডুকেশনে ডিপ্লোমার নথি, জাতিগত শংসাপত্র, কাজে যোগদানের নিয়োগপত্র নিয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে সকলকেই।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই এই তলব বলে জানা যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই বাঁকুড়া জেলায় এই তলব নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গত ৫ অগাস্ট ই-মেল মারফত এই শিক্ষকদের তলবের কথা ডিপিএসসিকে জানানো হয়। গতকালই সেই চিঠির প্রেক্ষিতে ওই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের তদন্তে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে।

গতকালই মুর্শিদাবাদের চার শিক্ষককে আদালত কক্ষ থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের মামলায় সাক্ষী হিসেবে রেখেছিল সিবিআই। কেন তাঁদের সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছে সেই প্রশ্ন তুলেই গ্রেফতারির নির্দেশ দেন বিচারক। আলিপুর সিবিআই আদালতে তাঁদের হাজির করানো হয়েছিল। অভিযোগ, এঁরা সকলেই টাকা দিয়ে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন।
চার শিক্ষকই নবগ্রামের বাসিন্দা। আপাতত ঠাঁই প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। এঁরাও ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেট পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন। সিবিআইয়ের কাছে স্বীকার করে নেন টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়ার। ফলে অযোগ্য শিক্ষক হিসেবে তাঁদের চিহ্নিত করে আদালত। এবার বাঁকুড়ার শিক্ষকদেরও একই গতি হয় কিনা তা নিয়ে চলছে জল্পনা।












Click it and Unblock the Notifications