West Bengal Recruitment Scam: ওএমআর দুর্নীতিতে বড় সূত্র সিবিআই'য়ের! ঘুরে যেতে পারে নিয়োগ দুর্নীতির মোড়ই
West Bengal Recruitment Scam: প্রাথমিক নিয়োগে OMR ও সার্ভার দুর্নীতি শেষ দেখতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট। এজন্য সিবিআইকে 'অল-আউট' ঝাঁপানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এরপরেই এস বসু রায় কোম্পানির অফিসে চারদিন দফায় দফায় তল্লাশি চালাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অর্থাৎ সিবিআই। আর সেই তল্লাশিতে ৩৬টি হার্ড ডিস্ক উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়াও আরও একাধিক হার্ড ডিস্কের খোঁজ পেয়েছেন আধিকারিকরা। দীর্ঘ তল্লাশিতে দুটি সার্ভারেরও খোঁজ পায় সিবিআই। কিন্তু সেখান থেকে সমস্ত ডেটা মুছে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। কিন্তু কেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে উদ্ধার হওয়ার বিপুল হার্ড ডিস্ক এবং সার্ভারেই প্রাথমিক নিয়োগে OMR-এর যাবতীয় দুর্নীতি লুকিয়ে আছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (West Bengal Recruitment Scam)।

আর তাই মুছে দেওয়া তথ্য ফিরে পেতে যাবতীয় চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আর এজন্য দিল্লি এবং হায়দরাবাদের ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সিবিআই আধিকারিকরা কথা বলছেন বলে খবর। এমনকি এস বসু রায় কোম্পানির অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল হার্ড ডিস্ক এবং সার্ভার সাইবার বিশেষজ্ঞদের দেখানো হচ্ছে। প্রচুর ডেটা যে মুছে ফেলা হয়েছে তা কনফার্ম। কিন্তু কেন? সেটাই ভাবাচ্ছে এখন সিবিআই আধিকারিকদের।
শুধু তাই নয়, কী এমন ডেটা ওই সার্ভার এবং হার্ড ডিস্কে ছিল যে মুছে ফেলা প্রয়োজন ছিল? সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআই আধিকারিকরা মনে করছেন, পুরো কেলেঙ্কারির পিছনে মানিক ভট্টাচার্যের বড় ভূমিকা রয়েছে। সম্ভবত তাঁর নির্দেশে সেই সমস্ত ডেটা মুছে ফেলা হয়েছে বলে অনুমান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।
তবে এই বিষয়ে নিশ্চিত গতে প্রয়োজনে বেশ কয়েকজনকে খুব শীঘ্রই জেরা করা হতে পারে বলে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, প্রাথমিক নিয়োগে OMR শিট মূল্যায়নকারী সংস্থা ছিল এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির। আর সেই সংস্থার প্রোগ্রামার পার্থ সেন এবং ডিরেক্টর কৌশিক মাজির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। বেশ কিছু অভিযোগের ভিত্তিতেই এই চার্জশিট জমা পড়ে।
জানা যায়, পার্থ সেন ফেল করা একাধিক প্রার্থীর নাম তালিকায় ঢুকিয়ে দেন। এছাড়াও সংস্থার কাজ নিয়েও একাধিক তথ্য পান আধিকারিকরা। এর মধ্যেই প্রাথমিক নিয়োগে OMR ও সার্ভার দুর্নীতি নিয়ে বড় নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। দুর্নীতির একেবারে গভীরে যাওয়ার কথা বলেন বিচারপতি। প্রয়োজনে দেশ-বিদেশের যেকোনও বিশেষজ্ঞ কিংবা সংস্থার সাহায্যও সিবিআই নিতে পারবে বলে জানিয়ে দেয় আদালত।












Click it and Unblock the Notifications