বগটুই কাণ্ডে অনুব্রত যোগ! হাইকোর্টে বিস্ফোরক তথ্য পেশ সিবিআইয়ের
বগটুই কাণ্ডে অনুব্রত যোগ! হাইকোর্টে বিস্ফোরক তথ্য পেশ সিবিআইয়ের
বগটুই কাণ্ডে নাম জড়াল অনুব্রত মণ্ডলের। সোমবার হাইকোর্টে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে এই মামলায় জড়িত থাকার দাবি জানিয়েছে সিবিআই। সেই দাবির সপক্ষে প্রমাণও দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁরা অভিযোগ করেছে অনুব্রত মণ্ডল বগটুই কাণ্ডের পরের দিন এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আনারুল হকের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে কথা বলেছিলেন।

বগটুই কাণ্ডে অনুব্রত যোগ
বীরভূমের রামপুরহাটে বগটুই কাণ্ডে এবার নাম জড়াল অনুব্রত মণ্ডলের। আসানসোল সংশোধনাগারে রয়েছেন কেষ্ট। তাঁর বিরুদ্ধে বগটুই কাণ্ডে সরাসরি যোগ থাকার অভিযোগ করেছে সিবিআই। সোমবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে আদালতে েয অনুব্রত মণ্ডল বগটুই কাণ্ডে অন্যতম মূল অভিযুক্ত আনারুল হকের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। বগটুই কাণ্ডের ২ দিন পরেই তাঁর সঙ্গে কথা বলেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ২১ এবং ২২ মার্চ আনারুল হকের সঙ্গে ২ বার ফোনে কথা বলেছিলেন কেষ্ট। ২১ মার্চ সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কথা বলেছিলেন।

আসানসোল জেলে অনুব্রত
আসানসোল জেলে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে গরুপাচার কাণ্ডে আটক করেছে সিবিআই। ইডির হাতেও গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। কয়েকদিন আগে দুবরাজপুরের এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীতে খুনের চেষ্টার অবিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছিল। অনুব্রত মণ্ডলের দিল্লি যাওয়া রুখতেই এই মিথ্যে মামলা করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও জামিনে এখন ছাড়া পেয়েছেন তিনি। আবারও সেই আসানসোল জেলে রাখা হয়েছে তাঁকে।

কেষ্টকে দিল্লি নিয়ে যেতে চায় ইডি
অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যেতে চাইছে ইডি। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুমোদনও দিয়েছে। তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে সেখানে জেরা করতে চাইছে তদন্তকারীরা। তাঁরা জানিয়েছেন দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চাইছে তদন্তকারীরা। কিন্তু কিছুতেই দিল্লি যেতে নারাজ তিনি।

বগটুই কাণ্ডে চাপে সিবিআই
এদিকে বগটুই কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে সিবিআই হেফাজতে। রামপুর হাটে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় অন্যতম অভিযুক্তের দেহ। তারপরেই সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে তাঁর স্ত্রী। সেই মামলায় সিিবআইয়ের সাত অফিসারকে রক্ষা কবচ দিয়েছে কোর্ট। কিন্তু ঘটনার তদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে। সিআইডি ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications