২১ হাজার পদে দুর্নীতি এখনও পর্যন্ত! আদালতে বিস্ফোরক তথ্য সিবিআইয়ের নবনিযুক্ত সিট-প্রধানের

এখন পর্যন্ত ২১ হাজার পদে দুর্নীতি! আদালতে বিস্ফোরক তথ্য সিবিআইয়ের নবনিযুক্ত সিট-প্রধানের

এখন পর্যন্ত প্রায় ২১ হাজার পদে দুর্নীতি হয়েছে। তার মধ্যে ৯ হাজার ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে। সোমবার আদালতে জানালেন সিবিআইয়ের সিটের নবনিযুক্ত প্রধান অশ্বিন শেনভি। তিনি জানান মূল প্যানেল থেকে শুরু করে ওয়েটিং লিস্ট- সর্বত্র দুর্নীতি হয়েছে। এরপর গ্রুপ ডি-র দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলাতেও তাঁকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।

এখন পর্যন্ত ২১ হাজার পদে দুর্নীতি! আদালতে বিস্ফোরক তথ্য সিবিআইয়ের নবনিযুক্ত সিট-প্রধানের

নবনিযুক্ত সিট প্রধানের মুখে রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতির পরিসংখ্যান শুনে বিচারপতি বলেন, যা সাহায্য লাগবে আদালতে এসে জানাবেন। আদালত সবরকম সাহায্য করবে। এই দুর্নীতির শেষ দেখা দরকার। যাঁরা এই দুর্নীতিতে যুক্ত তাঁদের কাউকে ছাড়া হবে না। সিট প্রধানকে উদ্দেশ্য করে এদিন এমনই মন্তব্য করেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।

বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু আরও বলেন, যে সমস্ত যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁরা শুধু ফলাফলের আশায় বসে আছেন। তাঁরা জানতে চান না সিবিআই কী করল, স্কুল সার্ভিস কমিশন কী করল? তাঁরা শুধু চান নিয়োগপত্র। কিন্তু নিয়োগ যেমন জরুরি, তেমনই জরুরি এই দুর্নীতির মূলে যাঁরা আছেন তাঁদের স্বরূপ প্রকাশ করা। তদন্ত এবং বিচার অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। এবার নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত তদন্ত ও বিচার তার লক্ষ্যের কাছে পৌঁছে গেছে বলে মন্তব্য বিচারপতির।

আদালতে সওয়াল করে সিট প্রধান অশ্বিনী শেনভি বলেন, গত বছরের নভেম্বর থেকে শুধুমাত্র ব়্যাঙ্ক-জাম্পিংয়ের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছিল। কিন্তু গাজিয়াবাদ থেকে হার্ড ডিস্ক উদ্ধার হওয়ার পর ওএমআর শিটের বিষয়টি সামনে আসে। এবং এরপর তদন্ত অন্য মাত্রা পায়। আমরা সব নথি এসএসসিকে দিয়েছি। এখন তাদের ঠিক করতে হবে, তারা কীভাবে এই ত্রুটি সংশোধন করবে।

সিট প্রধান শেনভির সওয়ালের পর বিচারপতি বলেন কমিশনের উদ্দেশে বলেন, জল থেকে কাদা সরিয়ে জলটাকে স্বচ্ছ করুন। উল্লেখ্য, এদিনই ওএমআর শিট সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে রিপোর্ট পেশ করতে চলেছে সিবিআই। এদিনই ১৮৩ জনের পর নবম-দশমে বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়া আরও ৪০ জনের হদিশ মিলল। সূত্রের খবর, ওএমআর শিটে কারচুপি করেই ৪০ জনকে চাকরির সুপারিশ করেছিল এসএসসি, এদিন ওএমআর শিট সংক্রান্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দিয়ে জানিয়েছে সিবিআই।

সব মিলিয়ে, এই নিয়ে নবম-দশমে ২২৩ জন বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপকের হদিশ মিলল। সম্প্রতি, নবম-দশমে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানিতে উঠে আসে ওএমআর শিটের প্রসঙ্গ। এরপরই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, গাজিয়াবাদ এবং কমিশনের দফতরে বাজেয়াপ্ত করা হার্ডডিস্ক থেকে ওএমআর শিটের যে নমুনা উদ্ধার হয়েছে, তা খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবে সিবিআই।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+