Municipal Recruitment Scam: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে স্ক্যানারে একাধিক মন্ত্রী-প্রভাবশালী! দেবেশকে জেরা সিবিআই'য়ের
Municipal Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির মধ্যেই পুরসভাতেও নিয়োগে যে কেলেঙ্কারি হয়েছে তা প্রকাশ্যে আসে! এরপর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে পুরসভাতেও তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। ইতিমধ্যে চার্জশিট জমা পড়েছে। সেখানে একাধিক ব্যক্তির নাম রয়েছে। রয়েছে অন্যতম মিডিলম্যান দেবেশ চক্রবর্তীর নাম। এরপরেই তাঁকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
আজ সোমবারই পুর-নিয়োগে দেবেশকে জেরা করা হবে। এছাড়াও পুর নিয়োগ মামলায় (Municipal Recruitment Scam) সিবিআই'য়ের নজরে আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রয়েছেন বলে খবর। এমনকি বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর ভূমিকাও র্যাডারে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। খুব শীঘ্রই তাদের জেরা করতে পারে সিবিআই।

নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, নিয়োগ দুর্নীতির ((Municipal Recruitment Scam)তদন্তে নেমে অয়ন শীলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁকে জেরা করেই মিডলম্যান দেবেশের নাম পান আধিকারিকরা।
এই বিষয়ে আরও গভীরে গেলে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পান আধিকারিকরা। জানতে পারেন, অয়ন ঘনিষ্ঠ দেবেশই ৬০০ জনেরও বেশি চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগের জন্য পাঠিয়েছিলেন। বিভিন্ন পুরসভায় তাঁদের নিয়োগ হয়েছে বলেও খবর। এই বিষয়েই আজ সোমবার দেবেশকে জেরা করবেন আধিকারিকরা। কার কার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে, মিডলম্যান হিসাবে আর কার কার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে সে বিষয়ে জেরা করবেন আধিকারিকরা।
এমনকি পুর-নিয়োগের টাকা কীভাবে কোথাও গিয়েছে তাও দেবেশের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করবেন সিবিআই আধিকারিকরা। এমনটাই জানা গিয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই চার্জশিট জমা দেয়।
দক্ষিণ দমদম পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু গোপাল রায়ের নাম আছে সেখানে। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দমদম পুরসভায় ২৯ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। এমনটাই অভিযোগ সামনে আসলে তদন্ত করেন আধিকারিকরা। আর সেখানেই চাঞ্চল্যকর তথ্য পান। যদিও পাচু রায়ের দাবি, এই ঘটনা অনেক দিনের। এই বিষয়ে সমস্তটাই ভুলে গেছি। কিন্ত্য যেহেতু নিয়োগ পত্রে সাক্ষর রয়েছে, দায় তাঁর উপর বররতায় বলে দাবি পাচুর।












Click it and Unblock the Notifications