দলিল থেকে কোম্পানির ডিরেক্টর! অনুব্রত কন্যাকে জেরা করতে পারে সিবিআই
ছুটির দিনেও অনুব্রত মন্ডলকে জেরা সিবিআইয়ের। গরু পাচার-কাণ্ডে ইতিমধ্যে বীরভূমের বেতাজ বাদশাকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর এরপর থেকেই দফায় দফায় জেরা করছেন তদন্তকারীরা। তবে সিবিআই সূত্রে খবর, তদন্তে নাকি স
ছুটির দিনেও অনুব্রত মন্ডলকে জেরা সিবিআইয়ের। গরু পাচার-কাণ্ডে ইতিমধ্যে বীরভূমের বেতাজ বাদশাকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর এরপর থেকেই দফায় দফায় জেরা করছেন তদন্তকারীরা। তবে সিবিআই সূত্রে খবর, তদন্তে নাকি সেভাবে সহযোগিতা করছেন না অনুব্রত। কিন্তু এরপরেও চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

জানা যায়, আজ ১৫ অগাস্ট দফতরে যান সিবিআই আধিকারিকরা।
একাধিক প্রশ্নই নাকি এড়িয়ে যাচ্ছেন বলেও সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে গরু পাচার তদন্তে নেমে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এমনকি তদন্তকারীদের র্যাডারে অনুব্রত মন্ডলের মেয়ের সম্পত্তিও। বাবা অনুব্রত মন্ডলের গ্রেফতারের পর থেকেই ভেঙে পড়েছে সে। সারাদিন নাকি কান্নাকাটি করছেন।
এমনকি সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন ইতিমধ্যে সিবিআই আধিকারিকদের ফোন থেকে মেয়ের সঙ্গে কথাও বলেছেন অনুব্রত। এবার সম্ভবত তাঁর মেয়েকে জেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহেই অনুব্রত কন্যাকে সিবিআই জেরা করতে পারে বলে দাবি এক সংবাদমাধ্যমের।
যদিও এই বিষয়ে সরকারি ভাবে সিবিআইয়ের তরফে কিছু জানানো হয়নি। এমনকি তৃণমূল নেতার মেয়েও এই বিষয়ে কিছু জানাননিও। তবে সূত্রে খবর, তদন্তে অনুব্রত মন্ডলের মেয়ের নামে ইতিমধ্যে বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছে সিবিআই। এমনকি তদন্তে ১০টি সম্পত্তির দলিল পাওয়া গিয়েছে মেয়ে সুকন্যার নামে। এছাড়াও একটি কৃষিপণ্যজাত প্রক্রিয়াকরণ কোম্পানির ডিরেক্টর হিসাবে সুকন্যার নাম সিবিআই আধিকারিকরা পেয়েছেন বলেও জানা যাচ্ছে। এমনকি একাধিক রাইস মিলের পার্টনার হিসাবেও অনুব্রত কন্যার নাম পাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
এই বিপুল সম্পত্তির উৎস কি? আর সেটাই খোঁজ পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। আর সেই কারণেই সম্ভবত অনুব্রত কন্যাকে সিবিআই জেরা করতে পারে বলেই সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে অনুব্রত মন্ডলের বেশ কয়েকজন কর্মচারীও এই মুহূর্তে সিবিআই আধিকারিকদের নজরে রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গলের প্রায় ১০০ কোটী টাকার সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছে সিবিআই। আর এরপরেই বেশ কয়েকজন কর্মীকেও সিবিআই খুব শিঘ্রই তলব করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কারণ এই সমস্ত কর্মীদেরও নাকি বিপুল সম্পত্তির তালিকা রয়েছে বলে ইতিমধ্যে জানতে পেরছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। বিপুল এই সম্পত্তির পিছনে কি গরু কিংবা কয়লা পাচারের টাকা আছে বলেই মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সূত্রে খবর, বীরভূমের বাড়ি তো বটেই, কলকাতায় চিনার পার্কের বাড়িতে কাজ করেন এমন বেশ কয়েকজন কর্মী এই মুহূর্তে সিবিআই নজরে রয়েছেন বলেই জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications