RG Kar Hospital: সত্যি বলছেন তো সন্দীপ ঘোষ? সন্দিহান CBI এবার করতে চলেছে বড় পদক্ষেপ
পর পর ৬ দিন ধরে জেরা করা হচ্ছে আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে। চোখে মুখে কালি ঢেলে দিয়েছে। তিনি যে রীতিমতো চাপে রয়েছেন সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু কোনও ভাবেই তাঁকে জেরা করে সন্তোষজনক উত্তর পাচ্ছেন না তদন্তকারীরা।
তারা মনে করছেন অনেক কিছুই গোপন করার চেষ্টা করছেন সন্দীপ ঘোষ। কেন নির্যাতিতার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি? কেন ঘটনার পরের দিন সেখানে নির্মাণ কাজ শুরু করার অনুমতি দিয়েছিলেন তিনি। তথ্য প্রমাণ লোপাটের কারণেই কি সেকাজ করার অনুমতি দিয়েছিলেন তিনি। তাহলে কি পুরোটাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছিল। প্রশ্ন করা হচ্ছে সন্দীপ ঘোষকে। কিন্তু কোনও প্রশ্নেরই তেমন সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

সন্দীপ ঘোষকে পর পর ৬ দিন ৬০ ঘণ্টা ধরে জেরা করেছে সিবিআই। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের দেহ ওভাবে পড়ে থাকতে দেখে প্রথমে তাঁর কী মনে হয়েছিল। তার যে জবাব তিনি দিয়েছেন সেটা খুব একটা সন্তোষজনক বলে মনে হয়নি তদন্তকারীদের। কারণ আরজি কর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যে দায়িত্ব সেদিন তাঁর নেওয়া উচিত ছিল সেটা তিনি নেননি। উল্টে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। নির্যাতিতার মা-বাবাকে তিন ঘণ্টা বাইরে বসিয়ে রেখেছিলেন দেখা করেননি।
গত ৬ দিন ধরে একের পর এক প্রশ্ন বাণে বিদ্ধ হয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। কিন্তু তিনি যে সত্যি কথা বলছেন তা খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না তদন্তকারীদের। সেই বিশ্বাসযোগ্যতা পেতেই সন্দীপ ঘোষের পলিগ্রাফ টেস্টের চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ পরীক্ষার অনুমতি পেয়েছে সিবিআই। ঘটনার দিন সে কী কী করেছিল সেটা জানতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ধীরে ধীরে চাপ বাড়ছে। এবার দুর্নীতির ঘটনার তদন্ত করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি। অর্থাৎ আরজি কর হাসপাতালে সন্দীপ ঘোষের জমানায় যে যে দুর্নীতি হচ্ছে তার তদন্ত করতে চায় ইডি। অর্থাৎ সিবিআই তদন্তের পর এবার ইডির নজরে পড়তে চলেছেন সন্দীপ ঘোষ। ইতিমধ্যেই তার জোর শুরু করে দিয়েছেন তদন্তকারীরা।
সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে দিয়েছে। কারণ ঘটনার দিনে সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা অনেককে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। এমনকী আরজি কর হাসপাতাল থেকে পদত্যাগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ পদে বসিয়ে দেওয়া হয়। কীভাবে এটা করা সম্ভব তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কোন প্রভাবশালীর হাত রয়েছে সন্দীপ ঘোষের উপরে।












Click it and Unblock the Notifications