SSC নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আবারও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ, সিদ্দিক গাজির নিয়োগ খারিজ
SSC নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আবারও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ, সিদ্দিক গাজির নিয়োগ খারিজ
তালিকায় নিচের দিকে থেকেও চাকরি পেয়েছিলেন সিদ্দিকী গাজি। তাঁর চাকরি খারিজের নির্দেশের পাশাপাশি নিয়োগে দুর্নীতির সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় আরও এক সিবিআই তদন্ত যুক্ত হল। এর আগে এসএসসি সংক্রান্ত মামলার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তার সঙ্গে যুক্ত হল আরও একটি মামলা।

ফের সিবিআই
এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের সিবিআই তদন্তের নির্দেশ। এবার সিদ্দিক গাজির নিয়োগ খারিজ করে কড়া িনর্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তািলকার পিছনে থাকার পরেও কীভাবে চাকরি পেলেন তিনি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তাই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মামলাকারী অনুপ গুপ্ত। তিনি ২০০ নম্বর পেয়ে চাকরি পাননি। এদিকে সিদ্দিক গাজী ২৭৫ নম্বর পেয়ে চাকরি পেয়েছেন। এই নিয়ে তুমুল অশান্তি শুরু হয়েছিল। নবম এবং দশম শ্রেণির গণিতে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল। বিচারপতি রাজশেখর মান্থা সিদ্দিক গাজীর চাকরি খারিজ করে দেন। সেই সঙ্গে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগেও সিবিআই তদন্ত
এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তাতে একের পর এক নেতা মন্ত্রীর নাম জড়য়েছে। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীকে তিন বার জেরা করা হয়েছে। তাঁর মেয়ে অঙ্কিতার চাকরি খারিজ করে দেয়া হয়েছে। পদাধিকার বলে মন্ত্রী মেয়েকে চাকরি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়। তার সঙ্গে জেরা করা হয়েছিল তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও। পার্থ চট্টোপাধ্যায় পর পর ২ বার জেরা করা হয়েছে এসএসসি দুর্নীতি মামলায়।

এসএসসি দফতরে তল্লাশি
এসএসসি দফতরে ইতিমধ্যেই তল্লাশি চািলয়েছেন সিবিআই আধিকারীকরা। তাঁরা একাধিক নথি উদ্ধার করেছেন। কার সুপারিশে চাকরি দেয়া হত তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টাকেও জেরা করেছে সিবিআই। এসএসসির দফতরের সার্ভার রুম সিল করে সেখানকার ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। এমন কি যাতে তথ্য লোপাট না হয় সেকারণে এসএসসির দফতরে সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছিল আদালতের নির্দেশে।

টাকার বিনিময়ে চাকরি
সিবিআই তদন্তে উঠে এসেেছ চাঞ্চল্যকর তথ্য টাকার বিনিময়ে চাকর দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এসএসসির চাকরি দেয়ার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তার অনুসন্ধানে জেরা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় শাসক দলের আরো বড় নেতা মন্ত্রীর নাম থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বারবারই দাবি করা হয়েছে এরকম কোনও আর্থিক লেনদেন হয়নি। যোগ্যতার নিরিখেই নিয়োগ হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications