ফুলকপি ৪০ টাকা, কড়াইশুঁটি ২০০ টাকা, ভাইফোঁটার বাজারে সবজির দামে যেন আগুন
কালীপুজোর আগের দিন বাজারের দাম বেড়েছিল অনেকটাই। ভাইফোঁটার আগের দিন সেই বাজারের দাম যেন আরও আগুন। সবজি বাজারে যেন হাত ছোঁয়ানো যাচ্ছে না। মাঝারি মাপের ফুলকপি দাম ৩৫ টাকা। বড় হলে সেই কপিই ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দাম।
সব সবজির দামই বেড়েছে এই দুদিনে। কলকাতার সব বাজারেরই একই অবস্থা। সাধারণ মানুষ ভাইফোঁটার আগে বাজার করতে যাবেন। যারা বাজারে গিয়েছেন, তাদের পরিস্থিতি শোচনীয়। পকেটের চিন্তা করবেন? না কী ভাইফোঁটায় ভালোমন্দ খাওয়ার জন্য বাজার করবেন?

কলকাতার প্রায় সব বাজার এলাকাতেই একই অবস্থা। কোলে মার্কেট এলাকাতেও সবজির দাম অনেকটাই উঁচুতে। অন্যদিকে, মানিকতলা, বাগমারি, উল্টোডাঙা, কেষ্টপুর, দমদম হয়ে দক্ষিণ কলকাতার বাজারগুলিতে কম বেশি একই দাম চলছে। বাঁধাকপি, ফুলকপির দাম শুনলে তো ছ্যাঁকা লাগবেই৷ ক্যাপসিকাম, বিনস থেকে কড়াইশুঁড়ির দাম শুনলে মুখের হাসি উড়ে যেতেই পারে৷
কড়াইশুঁড়ির সাধারণ দাম যাচ্ছে ২০০ টাকা কেজি। আর যদি ভালো কড়াইশুঁটি হয়, যার দানা বড়। সেখানে দাম আরও কিছুটা বেশি পড়বে। বাঁধাকপি, ফুলকপি ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানে খাওয়াদাওয়ার পাতে থাকেই। সেই ফুলকপির দাম যাচ্ছে ৩৫ টাকা প্রতি পিস। তবে সে মোটেও বড় আকারের নয়। ভালো মানের বড় ফুলকপি কিনতে হলে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা খরচ করতে হবে।
বাঁধাকপির ক্ষেত্রেও হাত ছোঁয়ালে ছ্যাঁকা লাগতেই পারে দাম শুনে। ভালো বড় বাঁধাকপির কেজি যাচ্ছে ৪০ টাকা। যত বড় বাঁধাকপি হবে, তত বাড়বে দাম। বেগুনের বাজারদর যাচ্ছে ৫৫ টাকা কেজি। সাধারণ বিনসের দাম ১০০ টাকা কেজি। সাদা পটোলের দামও একলাফে ৭০ টাকা হয়ে গিয়েছে। তবে এইসব দাম বাজার প্রতি ওঠানামাও করে।
দিন কয়েক টাস্কফোর্সের লোকজন বাজারে ঘুরেছিলেন। সামান্য কিছু দাম কমেছিল দিন কয়েক। কিন্তু উৎসব মুখে ফের আগুনছোঁয়া দাম বাজারে। কেন এত বেশি দাম সবজির? তার কোনও উত্তর নেই৷ বিক্রেতার কথায়, কালীপুজো ভাইফোঁটার সময় দাম প্রতি বছরই বেশি থাকে। ছটপুজো কাটলে দামও কমে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications