বয়স্করা কেন লাইনে দাঁড়িয়ে? এই মুহূর্তে ভ্যাকসিনেশন কোন পর্যায়ে? রাজ্যের কাছে তথ্য চাইল হাইকোর্ট

"যে দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে আছেন তারা suptnik-v টিকা নেবেন কি করে ?" - করোনা সংক্রান্ত মামলায় পর্যবেক্ষণ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির। পাশাপাশি রাজ্যে এই মুহূর্তে ভ্যাকসিনেশন কি অবস্থায় রয়েছে তা রাজ্য

"যে দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে আছেন তারা suptnik-v টিকা নেবেন কি করে ?" - করোনা সংক্রান্ত মামলায় পর্যবেক্ষণ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির।

পাশাপাশি রাজ্যে এই মুহূর্তে ভ্যাকসিনেশন কি অবস্থায় রয়েছে তা রাজ্যের কাছে জানতে চাইল আদালত।
করোনা সংক্রান্ত একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।

ভ্যাকসিনেশন কোন পর্যায়ে? রাজ্যের কাছে তথ্য চাইল হাইকোর্ট

আজ সোমবার সমস্ত মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টে। আর সেই মামলাতেই একের পর এক প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির। কেন্দ্র এবং রাজ্যকে হলফনামা আকারে এই তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ।

আজ সোমবার মামলার শুনানিতে বিভিন্ন রাজ্যকে ভ্যাকসিন পাঠানোর ক্ষেত্রে কেন্দ্র কি পদ্ধতি অবলম্বন করছে বা কি নীতি গ্রহন করেছে তা জানতে চায় আদালত।

তাছাড়াও এখনও পর্যন্ত দেশের মোট কত মানুষ ভ্যাকসিন নিয়েছেন, কি কি ভ্যাকসিন নিয়েছেন , কত সংখ্যক মানুষ কোন কোন ডোজ নিয়েছে তাও কেন্দ্রের কাছে জানতে চায় আদালত।

পাশাপাশি আদালতের পর্যবেক্ষণ কোন ব্যক্তি কি ভ্যাকসিন পাচ্ছেন তার হিসাব রাখাটাও অত্যন্ত জরুরি। কারণ টিকা নেওয়ার পরেও অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে টিকাগুলির কার্যকারিতা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার পর্যালোচনার জন্য টিকা গ্রহণকারীদের সমস্ত তথ্য নথিবদ্ধ হওয়া দরকার বলে মনে করে কলকাতা হাইকোর্ট। অন্যদিকে মামলার শুনানিতে কার্যত রাজ্যের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

এই প্রসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, বয়স্ক মানুষদের টিকার লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে কেন? গ্রামে অনেকেই টিকা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠছে। কত মানুষকে রাজ্য সরকার টিকা দিয়েছে? শুনানি চলাকালীন এই প্রশ্নগুলি তোলেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

শুধু তাই তাই নয়, আদালতে শুনানি চলাকালীন আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। যেমন বৃদ্ধাবাসগুলিতে টিকাকরণ শেষ হয়েছে কি না, প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধাদের কত শতাংশকে টিকা দেওয়া হয়েছে, সেই সব প্রশ্নও তোলেন বিচারপতিরা। অন্যদিকে,

করোনা অতিমারিতে অ্যাম্বুলেন্সে র অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ায় উষ্মা প্রকাশ প্রধান বিচারপতির।

বিশেষ করে গ্রাম বাংলার মানুষের আর্থিক দুর্বলতা সত্বেও তাদের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে রাজ্য সরকার কে ব্যাবস্থা নেওয়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিনদালও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৫ই আগস্ট।

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে রাজ্য সরকার ১লক্ষ টাকা ক্ষতপূরণ এবং চিকিৎসা কর্মী, পুরসভা, পঞ্চায়েতের কর্মী,পুলিস করোনা আক্রান্তহয়ে মারা গেলে রাজ্য সরকার ১০লাখ টাকা করে ক্ষতিপরণ দিচ্ছে।

ভ্যাকসিনের আওতায় সকলকে আনা হয়েছে। তবে স্বস্থ্য কর্মী, ট্রান জেন্ডার, আশাকর্মি, এবং সুপার স্পেড, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, যে সমস্ত মায়েদের ১২বছরের সন্তান আছে তাঁদের সকলের আগে ভ্যাকসিন দিচ্ছে রাজ্য সরকার। আদালতে জানলেন, রাজ্যের এডভোকেট জেনারেকিশোর দত্ত।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+