বিজেপির ৭ বিধায়ককে সাসপেন্ডের মামলায় স্পিকারের হলফনামা তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট
বিজেপির ৭ বিধায়ককে সাসপেন্ডের মামলায় নয়া মোড়। বিধানসভার স্পিকারের হলফনামা তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। গামী সোমবারের মধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বেঞ্চে'র এই সং
বিজেপির ৭ বিধায়ককে সাসপেন্ডের মামলায় নয়া মোড়। বিধানসভার স্পিকারের হলফনামা তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট।
আগামী সোমবারের মধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বেঞ্চে'র এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল আজ সোমবার।

সেখানে দীর্ঘ সওয়াল-জবাব শেষে বিধানসভার স্পিকারের হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ আদালতের। জানা যাচ্ছে, আগামী পাঁচ মে ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
গত কয়েকদিন আগেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ সাত বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করেন স্পিকার। বিধানসভায় গণ্ডগোলের জন্যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ ৭ বিধায়ককে সাসপেন্ড করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী, মনোজ টিগ্গা, মিহির গোস্বামী, সুদীপ মুখার্জি, দীপক বর্মন, শঙ্কর ঘোষ এবং নরহরি মাহাতোকে সাসপেন্ড করা হয়।
বিধানসভার অধ্যক্ষের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন এই সাত বিজেপি বিধায়ক। একই সঙ্গে এই সংক্রান্ত নোটিশও খারিজ করার আবেদন জানানো হয়। আজ সোমবার এই সংক্রান্ত মামলা'র শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টে।
আর সেই মামলার শুনানিতেই বিজেপি বিধায়কদের হয়ে আইনজীবীরা জোরাল সওয়াল করেন। বলেন, এই সাতজনকেই আগামী ৫ বছরের জন্যই সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাহলে এনারা নিজেদের বিধানসভার কথা বলবেন কি করে? শুধু তাই নয়, বিরোধী দলনেতাকে এভাবে কি বাইরে রাখা যায়?
এদিন শুনানিতে সেই প্রশ্নও তোলেন বিজেপির তরফে থাকা আইনজীবীরা। মামলার শুনানিতে এই বিষয়ে অধ্যক্ষের বক্তব্য জানতে চান বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে বিধানসভার স্পিকারের হলফনামা তলব করে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী পাঁচ মে ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে। আর তার আগেই এই সংক্রান্ত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন গত অধিবেশন চলাকালীন একাধিক বিষয়ে বিধানসভার মধ্যে সরব হন বিজেপি বিধায়করা। আইনশৃঙ্খলা সহ একাধিক বিষয়ে লাগাতার আন্দোলন করেন। আর এই আন্দোলন কার্যত নজিরবিহীন চেহারা নেয়। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন শাসক এবং বিজেপি বিধায়করা। আর এরপরেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ সাত বিধায়ককে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
যা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। এভাবে বিরোধী দলনেতার সাসপেন্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর এই বিতর্কের মধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয় মামলা। আর সেই মামলায় হলফনামার নির্দেশ বাংলার বিধানসভার অধ্যক্ষকে।












Click it and Unblock the Notifications