Saline Case: “নোটিস দিতে দেরি কেন?” স্যালাইনকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন হাইকোর্টের, ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ
Saline Case: 'বিষাক্ত' স্যালাইনকাণ্ডে বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। সব হাসপাতালে রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইনের ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশ প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের। পাশাপাশি যারা এই ড্রাগের ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ (Compensation) দিতে নির্দেশ আদালতের। মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে ৩০ জানুয়ারি।
'বিষাক্ত' স্যালাইন নিয়ে জোড়া জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। তারই শুনানিতে এদিন সব হাসপাতালে রিঙ্গার ল্যাকটেট বন্ধের নির্দেশ দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্য জানায় আগেই তারা এর ব্যবহার বন্ধ করেছেন।

রাজ্য সিআইডি তদন্ত (CID Investigation) আগ্রহী কিনা সেই প্রশ্ন করা হয় আদালতের তরফে। পাল্টা রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানান, প্রাথমিক তদন্ত করছে পুলিশ। ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ফার্মা কোম্পানির বিরুদ্ধে রাজ্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চান প্রধান বিচারপতি। ফার্মা কোম্পানিকে রাজ্যের তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছে? প্রশ্ন করেন তিনি। কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলে জানান এজি।
প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যে মুহূর্তে রোগী মারা গেলেন, তখনই উচিত ছিল নোটিস করা। এত দেরি হল কেন? জবাবে এজি জানান, রাজ্য এক রাতে ত্রিশ হাজার স্যালাইন বন্ধ করতে পারে না। অনেক কিছুই লভ্য রয়েছে বলে পাল্টা জানান প্রধান বিচারপতি।
স্যালাইনকাণ্ডে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর ও মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। কর্ণাটক যে ১২টি সংস্থাকে ব্ল্যাক লিস্টেড করেছিল, সরকারের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তারও রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। এদিকে, স্যালাইনকাণ্ডের মাঝেই স্বাস্থ্য দফতরের স্পেশাল কমিশনারকে সরানো হল পদ থেকে। দেওয়া হল অন্য দায়িত্ব।
স্বাস্থ্য দফতরের ওষুধ ও মেডিক্যাল সরঞ্জাম কেনা এবং সরবরাহের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক চৈতালি চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়া হল। প্ল্যানিং ও স্ট্র্যাটেজি বিভাগে স্থানান্তর করা হয় তাঁকে। পরিবর্তে তার জায়গায় জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের বিশেষ সচিব শুভাঞ্জন দাসকে দায়িত্ব দেওয়া হল। স্যালাইনকাণ্ডের মাঝে এই বদলি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও রুটিন বদলি বলেই দাবি স্বাস্থ্যভবনের।
বৃহস্পতিবার স্যালাইনকাণ্ডে মুখ্যসচিবকে রিপোর্ট জমা দেয় সিআইডি। মেদিনীপুর মেডিক্যালে ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক তদন্তে গিয়েছিলেন। হাসপাতালের আরএমও, চারজন নার্স, ২ জন পিজিটি, সুপার ও প্রিন্সিপালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অস্ত্রোপচারের সময় কারা ছিলেন, সিনিয়র ডাক্তার ছিলেন কিনা, জুনিয়র ডাক্তাররা অপারেশন করেছিলেন কিনা, তা জিজ্ঞেস করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications