HighCourt: নবম-দশমে সিলেবাস বদল নিয়ে রাজ্যকে বড় পরামর্শ বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু'র
আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। কিন্তু এবার এক ধাক্কায় অনেকটাই কমেছে পরীক্ষার্থী । আর সেই কথা তুলে ধরেই অ্যাডভোকেট জেনারেলকে বড় বার্তা হাইকোর্টের।
নবম-দশমের সিলেবাস নিয়ে উদ্বিগ্ন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আজ বুধবার এই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টে। আর সেই মামলার শুনানিতে নবম এবং দশম শ্রেণির সিলেবাস বদলের পরামর্শ দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে এই সংক্রান্ত পরামর্শ দেন।

শুধু তাই নয়, পর্যবেক্ষণে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ওই সিলেবাস দেখিয়ে বলেন, নবম এবং দশমের যে সিলেবাস তা দীর্ঘ বছরের পুরানো। অন্যান্য বোর্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই সিলেবাস সংস্কার করার জন্যে অ্যাডভোকেট জেনারেলকে পরামর্শ দেন বিচারপতি।
এমনকি এদিন আদালতে ছাত্র কমে যাওয়া নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করে। বলেন, শেষ পরিবর্তন কবে হয়েছিল? এমনকি ছাত্র কমে যাওয়ার পরেই কেন রাজ্য সতর্ক হচ্ছে না নিয়েও অ্যাডভোকেট জেনারেলের সঙ্গে দীর্ঘ কথা বলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আর সেই আলোচনায় মাধ্যমিকে চার লাখ পরীক্ষার্থী কমে আসার বিষয়টিও উঠে আসে।
বিচারপতি বলেন, কেন কমে যাচ্ছে তা রাজ্যকে ভাবতে হবে। শুধু তাই নয়, সিলেবাস ঠিক না হলে সমস্যা বাড়বে বলেও রাজ্যকে কার্যত সতর্ক করে কলকাতা হাইকোর্ট। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শিক্ষক নিয়োগের কথা তুলে ধরেন বিচারপতি!
বলেন, শিক্ষক নিয়োগ তো করা হচ্ছে। কিন্তু তাঁরা কাকে পড়াবেন? কার্যত প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন রাজ্যের আইনজীবীদের কাছে। তবে দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারপতির পরামর্শের বিষয়টি রাজ্যকে জানানোর কথা জানান অ্যাডভোকেট জেনারেল। শুধু তাই নয়, পরামর্শ মেনে কাজ যাতে করা যায় সে বিষয়টি নিয়েও হাইকোর্টকে জানিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে বদলি নিয়ে নিয়ে শিক্ষা দফতর যেভাবে কাজ করেছে সেজন্যে অ্যাডভোকেট জেনারেলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে নতুন গাইডলাইন জারি করেছে রাজ্য। আর তা জারির পরেই কলকাতা হাইকোর্টকে এই সংক্রান্ত একটি মামলায় জানিয়েছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল।
মামলার শুনানি হয় বিচারপতি বিশ্বজিত বসুর এজলাসে। সেখানেই রাজ্যের তরফে এমনটা জানানো হয়। আর এই তথ্য জানানোর পরেই শিক্ষা দফতরের আইনজীবীকে বিচারপতি বসুর পরামর্শ, নতুন নির্দেশিকা আসলেই জেলা স্কুল পরিদর্শকদের দ্রুত সেই নীতি বাস্তবায়নের জন্য তৈরি থাকতে হবে।
বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে সরকারি স্কুলে শিক্ষক বদলি নীতি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। আর এরপরেই গাইডলাইন তৈরির কথা জানিয়েছিলেন। আর তা তৈরি করে কার্যকর করার জন্যে এই ধন্যবাদ রাজ্যকে জানিয়েছেন বিচারপতি বসু।












Click it and Unblock the Notifications