করোনা আবহে স্কুল ফি নিয়ে বড় নির্দেশ, কী জানাল কলকাতা হাইকোর্ট
করোনা আবহে স্কুল ফি নিয়ে বড় নির্দেশ, কী জানাল কলকাতা হাইকোর্ট
করোনা আবহে স্কুল ফি নিয়ে বড় নির্দেশিকা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গত ২ বছরের বকেয়া ফি-র ৫০ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে অভিভাবকদের। ৩ সপ্তাহের মধ্যে সেই টাকা স্কুলকে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। স্কুল ফি মেটানো না হলে স্কুল পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে বলেও জানিয়েছে আদালত।

৫০ শতাংশ স্কুল ফি দিতেই হবে
৫০ শতাংশ স্কুল ফি দিতেই হবে অভিভাবকদের। ২ বছর ধরে করোনা আবহে যে ফি বাকি পড়ে রয়েছে সেটা মিটিয়ে দিতে হবে ৩ সপ্তাহের মধ্যে। সময় বেধে দিয়ে অভিভাবকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি শুরু হয়। বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। শুধু তাই নয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে অভিভাবকরা ফি জমানা দিলে স্কুল ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে যে পড়ুয়ারা মাধ্যমিক বা দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের শংসাপত্র বোর্ডের তরফে ইস্যু না করারও কথা বলা হয়েছে।৫০ শতাংশ স্কুল ফি দিতেই হবে অভিভাবকদের। ২ বছর ধরে করোনা আবহে যে ফি বাকি পড়ে রয়েছে সেটা মিটিয়ে দিতে হবে ৩ সপ্তাহের মধ্যে। সময় বেধে দিয়ে অভিভাবকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি শুরু হয়। বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। শুধু তাই নয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে অভিভাবকরা ফি জমানা দিলে স্কুল ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে যে পড়ুয়ারা মাধ্যমিক বা দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের শংসাপত্র বোর্ডের তরফে ইস্যু না করারও কথা বলা হয়েছে।

স্কুল বন্ধ করোনা কারণে
গত বছর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে স্কুল বন্ধ হয়েছে। করোনা সংক্রমণের কারণে অধিকাংশ ক্লাসের পঠন পাঠনই বন্ধ। কেবল মাত্র কয়েকটি ক্লাস শুরু হয়েছিল মাঝখানে। তারপরে ফের স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয় করোনার সেকেন্ড ওয়েভের কারণে। অনলাইনেই সব ক্লাস হচ্ছে। সেকারণে অভিভাবকা পুরো ফি দিতে রাজি হননি। এই নিয়ে দফায় দফায় একাধিক স্কুলে বিক্ষোভ হয়। সেন্ট মেরিস, ডিপিএস সহ একাধিক স্কুলে বিক্ষোভ দেখিেয়ছেন অভিভাবকরা। তাঁরা অভিযোগ করেছিলেন কিছুতেই তাঁরা পুরো ফি দেবেন না। তাই নিয়ে দফায় দফায় ধুন্ধমার কাণ্ড ঘটেছিল স্কুলের কাছে।

সংকটে স্কুল
স্কুল ফি না েদওয়ায় চাপে পড়েছিল স্কুল গুলি।কারন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন দেওয়া সমস্যা হয়ে যাচ্ছিল। তাই কোর্টকে স্কুল গুলি জানায় অনলাইনে ক্লাস যখন হচ্ছে তখন কেন অভিভাবকরা িফ দেবেন না। ফি না দিলে শিক্ষক-শিক্ষিকারা বেতন পাবেন কী করে। এমকি অশিক্ষক কর্মীদের বেতন দিতেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল স্কুল গুলিেক। স্কুল গুলি আদালতকে জানায় করোনার কারণে অনেকে অবিভাবকরা ফি বকেয়া রেখে দিয়েছেন। প্রায় কোটি টাকার উপর ফি বাকি পড়ে রয়েছে বলে আদালতকে জানিয়েছে স্কুলগুলি। যদিও এর আগে এই মামলায় অভিভাবকদের ৮০ শতাংশ ফি মিটিয়ে দিতে বলেছিল আদালত।

পর্যবেক্ষণে কী জানাল আদালত
মামলার পর্যবেক্ষণে আদালত জানিয়েেছ, যে অভিভাবকরা সরকারি চাকরি করেন এবং আর্থিকভাবে স্বচ্ছল, তাঁরাও ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলের বেতন দিচ্ছেন না কেন? এই প্রবণতা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং উদ্বেগপূর্ণ। ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আদালতের নির্দেশ মেনে ৫০ শতাংশ ফি না মেটালে অনলাইন ক্লাসের সুযোগ সেই ছাত্রছাত্রীকে না দেওয়ার কথা বলেছে আদালত। এমনকী বিনা নোটিসে স্কুল থেকে ওই ছাত্রছাত্রীকে বরখাস্তও করতে পারে স্কুল এমনই জানিয়েছে হাইকোর্ট। তবে অভিভাবকদের দাবি স্কুল সব পরিষেবা না দিলেও মোটা টাকা ফি হিসেবে আদায় করছে। সেই আবেদন পরে শুনবে বলে জানিয়েছে আদালত। এদিকে পুজোর পরেই স্কুল খোলার ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন এতে ছাত্রছাত্রীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। স্কুলের পঠন পাঠন বন্ধ থাকায় অনেক ছাত্রছাত্রীরাই পড়াশোনা করতে পারছেন না। সেকারণে পুজোর পরে সপ্তাহে ৫ দিন একদিন অন্তর একদিন ক্লাস করার ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে শিক্ষিক-শিক্ষিকাদের টিকাকরণে জোর দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications