ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় ধাক্কা রাজ্যের, হাইকোর্টে খারিজ মমতার সরকারের আবেদন
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে (calcutta high court) ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার (west bengal govt)। হাইকোর্টের তরফে ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (nhrc) কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। এই নি
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে (calcutta high court) ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার (west bengal govt)। হাইকোর্টের তরফে ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (nhrc) কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। এই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে আবেদন করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু এদিন শুনানিতে আদালত সেই আর্জি খারিজ (dismiss) করে দিয়েছে। এদিকে এই রায়ের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে, এই আশঙ্কা করে মামলাকারীকে সর্বোচ্চ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে।

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নির্দেশ
রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ বলে, রাজ্য সরকার প্রথমে বিষয়টি স্বীকার করতে চায়নি। কিন্তু আদালতের কাছে বেশ কিছু প্রমাণ এসেছে। যা নিয়ে আদালত চুপ করে বসে থাকতে পারে না। সেই কারণে ১৮ জুন হিংসার তদন্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের বেঞ্চ।

পরবর্তী ঘটনাক্রম
এরইমধ্যেই রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যপালের কাছে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এরপর সেই একই ঘটনা নিয়ে অভিযোগ জানাতে দিল্লিতে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি দিল্লিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে দুবার বৈঠক করেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ মিশ্রের সঙ্গেও দেখা করেন রাজ্যপাল। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিতীয়বার বৈঠকের পরে ফের একবার রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন রাজ্যপাল।

হাইকোর্টে রাজ্যের আবেদন
এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনার তদন্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রত্যাহারের জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানায় রাজ্য সরকার। আবেদনে বলা হয়েছিল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের হাতে দায়িত্ব না দিয়ে রাজ্য সরকারকে আরও একবার সুযোগ দেওয়া হোক। সোমবার প্রথম দফাতেই সেই মামলার শুনানি হয়।

রাজ্যের আবেদন খারিজ
এদিন শুনানিনে রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতিরা। এদিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৫ সদস্যদের বেঞ্চে শুনানি হয়। শুনানিতে ১৮ জুনের নির্দেশ বহাল রাখেন বিচারপতিরা। তাঁরা বলেন, রাজ্যকে কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও কাজ হয়নি। এব্যাপারে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের নেতৃত্বে কমিটি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ঘরে ফেরা দূরে থাক, এই সংক্রান্ত অভিযোগ সেভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি বলেও অভিযোগ হাইকোর্টের। রাজ্য সরকারের এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট। সেই কারণেই বিষয়টি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের হাতে দেওয়া হয়েছে। তারা ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্টে দেবে বলেও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications