মুখ্যমন্ত্রীর ডি-লিট বিরোধিতা জনস্বার্থের সঙ্গে যুক্ত নয়, আর কী বলল হাইকোর্ট
মুখ্যমন্ত্রীকে ডি-লিট দেওয়ার বিরোধিতা করে করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ হয়ে গেল হাইকোর্টে। মামলাটি করেছিলেন শিক্ষাবিদ রঞ্জুগোপাল মুখোপাধ্যায়।
মুখ্যমন্ত্রীকে ডি-লিট দেওয়ার বিরোধিতা করে করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ হয়ে গেল হাইকোর্টে। মামলাটি করেছিলেন শিক্ষাবিদ রঞ্জুগোপাল মুখোপাধ্যায়।

১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে সাম্মানিক ডি-লিট তুলে দেয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। নজরুল মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে এই সম্মান তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য কেশরীনাথ ত্রিপাঠী।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য, মুখ্যমন্ত্রীকে ডি-লিট দেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেটে প্রস্তাবও পাশ হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেই অবশ্য জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়, কলকাতা হাইকোর্টে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডি লিট দিলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ক্ষুণ্ণ হবে বলে মন্তব্য করে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য রঞ্জুগোপাল মুখোপাধ্যায়।

২৫ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সেই জনস্বার্থ মামলাটি খারিজ করে দেন। তাঁর রায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, বিষয়টি কোনও জনস্বার্থের সঙ্গে জড়িত নয়। আদালতের বিচার্য বিষয়ও নয় সেটি। এছাড়াও সবপক্ষকে যুক্ত না করেই মামলাটি করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
ডি লিট পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি নিজেকে ধন্য মনে করছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, এই সম্মানের যোগ্য তিনি নন। এই ডি লিট তিনি ব্যবহারও করবেন না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি কোনও দিন ভাবেননি এইরকম একটি মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলবেন। নিজের জীবনকে লড়াই ও সংগ্রামের বলে অবিহিত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এই সম্মানের প্রস্তাব নিয়েও তাঁকে অসম্মান করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications