Calcutta HC: মুর্শিদাবাদে ত্রাণ বিলিতে বাধা দেওয়া যাবে না, শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল হাইকোর্ট
Calcutta HC: ওয়াকফ ইস্যুতে প্রতিবাদের নামে তাণ্ডব, খুনোখুনি চলেছে মুর্শিদাবাদে। লুঠ হয়েছে ঘরবাড়ির সর্বস্ব। ঘরের মুদিখানা থেকে টাকা-পয়সা লুঠ হয়ে গিয়েছে। এমতাবস্থায় উপদ্রুত এলাকায় দুর্গতদের ত্রাণ দিতে চেয়েছিল 'খোলা হাওয়া' নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। কিন্ত পুলিশ তাদের বাধা দেয় বলে অভিযোগ। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সংগঠন। বৃহস্পতিবার ত্রাণ সামগ্রী বিলিতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি কলকাতা হাইকোর্টের।
হিংসা বিধ্বস্ত ধুলিয়ান ও সামসেরগঞ্জ এলাকায় সপ্তাহে একদিন করে ঘরছাড়াদের ত্রাণ সামগ্রী বিলি করতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অমৃতা সিনহা এদিন নির্দেশে জানান, আগামী দুই সপ্তাহে দুই দিন করে ওই সংগঠন মুর্শিদাবাদে আতঙ্কে ঘরছাড়াদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিলি করতে পারবেন। তবে সেই কর্মসূচির ২৪ ঘণ্টা আগে জেলাশাসকের অফিসে জানাতে হবে।

কোন জায়গায় সংগঠনের সদস্যরা যেতে চান ও কাদের ত্রাণ সাহায্য দিতে চান, সেসম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে হবে জেলাশাসককে। তিন জনের টিম যাবে উপদ্রুত এলাকাগুলিতে। ওই টিমে কারা থাকবেন, জেলাশাসককে আগে তা জানাতে হবে। কোন হেট স্পিচ বা উসকানিমূলক ভাষণ দেওয়া যাবে না ত্রাণ দেওয়ার সময়। ত্রাণের সামগ্রী শনিবার থেকে দেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে আদালত। ৫ মে মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।
এদিনের শুনানিতে রাজ্যকে বিচারপতি অমৃতা সিনহা প্রশ্ন করেন, "সরকারের বাইরে কেউ যদি অতিরিক্ত ত্রাণ দিতে চায় আপনাদের আপত্তি কোথায়? কীসের আইন শৃঙ্খলার সমস্যা? কেন্দ্রীয় বাহিনী তো আছে সেখানে।" একইসঙ্গে মামলাকারীর আইনজীবী জানান, "শিশুদের খাবার, ত্রিপল ইত্যাদি দেওয়া হবে। জেলাশাসক অনুমতি দেননি। ডিজি বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারপরেও কেন দেওয়া হচ্ছে না?"
পাল্টা সরকারি তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, "সংগঠনের নাম শুধু খোলা হাওয়া। কিন্তু এখানে অনেক কিছু বন্ধ জিনিস আছে। এই সোসাইটির প্রেসিডেন্ট তারকেশ্বরে বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। রাজ্য আহতদের প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু এই মুহূর্তে কোনও নতুন সাহায্যের কোন দরকার নেই। তারপরেও যদি দিতে চায়, তাহলে জেলাশাসকের হাতে দিয়ে দিক।"












Click it and Unblock the Notifications