তারাপীঠে বিহারের মন্ত্রীর দাদাগিরি, তারপর যা হল
তারাপীঠের হোটেলে বিহারের মন্ত্রীর দাদাগিরির অভিযোগ। হোটেলকর্মীদের হুমকির পাশাপাশি মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। পাল্টা হোটেলকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিহারের মন্ত্রীরও।
তারাপীঠের হোটেলে বিহারের মন্ত্রীর দাদাগিরির অভিযোগ। হোটেলকর্মীদের হুমকির পাশাপাশি মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। পাল্টা হোটেলকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিহারের মন্ত্রীরও।

হোটেল সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইনে একদিনের জন্য হোটেলের চারটি ঘর বুক করেছিলেন বিহারের নগরবিকাশমন্ত্রী সুরেশকুমার শর্মা। হোটেল বুকিং-এর সময় নিয়ম মতো অগ্রিম টাকাও দিয়েছিলেন মন্ত্রী। কিন্তু সোমবার বিকেলে হোটেলে যাওয়ার পর ঘর পছন্দ না হওয়ায় টাকা ফেরত দাবি করেন মন্ত্রী। সেই সময় আপত্তি জানান সংশ্লিষ্ট হোটেলের কর্মীরা। বলেন, টাকা অনলাইনেই ফেরত দেওয়া হয়। সেই সময়ই শুরু হয় বচসা। সেখান থেকে তা হাতাহাতিতে পৌঁছয়।
হোটেল কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের মারধর করেছেন বিহারের মন্ত্রীর সাঙ্গোপাঙ্গোরা। লাঠি ও খাতা দিয়ে হোটেল কর্মীদের মারা হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে মন্ত্রীর পাল্টা অভিযোগ, হোটেলের কর্মীরাই তাঁর সঙ্গে আসা লোকজনকে মারধর করেছেন। বিহারের মন্ত্রীর রক্ষী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তেড়ে যান হোটেলকর্মীর দিকে। যা ধরা পড়েছে হোটেলের সিসিটিভি ক্যামেরায়।
বেশ কিছুক্ষণ তাণ্ডব চালিয়ে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান মন্ত্রী ও তাঁর সহযোগীরা। তারাপীঠের অন্য একটি হোটেলে গিয়ে ওঠেন তাঁরা। যে দুটি গাড়িতে চড়ে বিহারের মন্ত্রী ও তার সহযোগীরা এসেছিলেন, সেই গাড়ি দুটিও আগের হোটেলের বাইরেই পড়ে থাকে।
ঘটনায় মন্ত্রী ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে হোটেল কর্তৃপক্ষ। পাল্টা হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন বিহারের মন্ত্রী।
ঘটনার পরে বিহার সরকারের তরফে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে সহযোগিতার না করার অভিযোগ আনা হয়। বলা হয়, তাদের রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রীর হাজির হওয়ার খবর থাকলেও, কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। পাল্টা জবাব দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। বিহারের মন্ত্রীর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন গৌতম দেব।












Click it and Unblock the Notifications