বাংলায় একুশের নির্বাচনে জিতবে কে, ভোট ঘোষণার পর জনমত সমীক্ষার রিপোর্ট একনজরে
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে বাংলার ভোটের। আর ঠিক এক মাস পরেই ভোট বাংলায়। তা আগে জনমত সমীক্ষায় সমীক্ষক সংস্থা সি ভোটার জানিয়ে দিল বাংলার রায়ের পূর্বাভাস।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে বাংলার ভোটের। আর ঠিক এক মাস পরেই ভোট বাংলায়। তা আগে জনমত সমীক্ষায় সমীক্ষক সংস্থা সি ভোটার জানিয়ে দিল বাংলার রায়ের পূর্বাভাস। বাংলার ক্ষমতা কার হাতে উঠতে পারে, তার আভাস মিলেছে সি ভোটারের সমীক্ষায়।

তৃণমূল কতগুলি আসন পেতে পারে
সি ভোটারের সমীক্ষায় আভাস মিলেছে, বাংলায় টানা তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের হ্যাটট্রিক রুখতে পারছে না বিজেপি। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা এবার অনেক কমবে বলেই মনে করছেন সমীক্ষকরা। সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল পেতে পারে ১৪৮ থেকে ১৬৪টি আসন।

বিজেপি কতগুলি আসন পেতে পারে
সি ভোটারের সমীক্ষাও বিজেপির উত্থানের ছবি স্পষ্ট করেছে। তৃণমূলকে হারাতে সম্ভবপর না হলেও প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি উঠে আসছে। সমীক্ষা অনুযায়ী ৯২ থেকে ১০৮টি আসন পেতে পারে তারা। গতবারের তুলনায় বহু গুণ আসন বাড়িয়ে নিতে সমর্থ হবে তারা। তবে ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারবে না বিজেপি।

বাম-কংগ্রেস কতগুলি আসন পেতে পারে
সি ভোটারের সমীক্ষা অনুযায়ী বাম-কংগ্রেস জোট এবার তাদের বিরোধী তকমা ধরে রাখতে পারবে না। তারা নেমে যাবে তৃতীয় স্থানে। বাংলায় নির্বাচনী লড়াইয়ে জোট করে কোনওরকমে তারা অস্তিত্ব বাঁচাতে সমর্থ হবে। সমীক্ষায় আভাস বাম ও কংগ্রেস জোট পেতে পারে ৩১ থেকে ৩৯টি আসন। এই আসন সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেক কম। তবে লোকসভার তুলনায় অনেক ভালো

অন্যান্যরা কতগুলি আসন পেতে পারে
এবার বাংলায় নতুন দল হিসেবে ময়দেন নামছে আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিমের সঙ্গে জোট ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে তাদের। সিদ্দিকি-ওয়েইসির এই জোট এবং অন্যান্যরা অবশ্য তেমন দাগ কাটতে পারবে না। তারা পেতে পারে ১ থেকে ৫টি আসন।

২০১৬-র নিরিখে ২০২১-এর সমীক্ষা
২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪ আসন বিশিষ্ট পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ২১১টি আসন। বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ৩টি আসন। আর বাম-কংগ্রেস জোট পেয়েছিল ৭৭টি আসন। বাম-কংগ্রেস প্রধান বিরোধী শক্তি হয়েছিল। সম্ভাবনা তৈরি করেও ক্ষমতার ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি বাম-কংগ্রেস। বিপুল আসনে জিতে সেবারও ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

২০১৯-এর নিরিখে ২০২১-এর সমীক্ষা
আর ২০১৯-এর লোকসভা ৪২-এ ৪২ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে লড়াইয়ে নেমে তৃণমূল অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল। সেই নিরিখে বিধানসভা আসনের ১৬৪টিতে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। আর বিজেপির লোকসভা আসন সংখ্যা ২ থেকে বেড়ে ১৮ হওয়ার পথে বিধানসভায় ১২১টি আসনে এগিয়েছিল। বাম-কংগ্রেস এগিয়েছিল মাত্র ৯টি আসনে।

সি-ভোটার বনাম সিএনএক্সের সমীক্ষা
সি ভোটারের প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা জানিয়েছিল তৃণমূল পেতে পারে ১৫৪ থেকে ১৬২টি আসন। সেখানে সিএনএক্স বলেছিল তৃণমূল পাবে ১৪৬ থেক ১৫৬টি। সি ভোটারের দ্বিতীয় পর্যায়ের সমীক্ষা জানাচ্ছে তৃণমূল পেতে পারে ১৪৮ থেকে ১৬৪টি আসন। সি ভোটার প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি পেতে পারে ৯৮ থেকে ১০৬টি আসন। সিএনএক্স বলছে ১১৩ থেকে ১২১টি। সি ভোটারের দ্বিতীয় পর্যায়ের সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি পেতে পারে ৯২ থেকে ১০৮টি আসন। সি ভোটার প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা বলেছিল বাম-কংগ্রেস পাবে ২৬ থেকে ৩৪টি, সিএনএক্স বলছে ২০ থেকে ২৮টি। সি ভোটারের দ্বিতীয় পর্যায়ের সমীক্ষা বলেছিল বাম-কংগ্রেস পাবে ৩১ থেকে ৩৯টি। আর সি ভোটারের প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা অনুযায়ী অন্যান্যরা পেতে পারে ২ থেকে ৬টি আসন। সিএনএক্স বলছে ১ থেকে ৩টি পাবে অন্যান্যরা। আর সি ভোটারের দ্বিতীয় পর্যায়ের সমীক্ষা অনুযায়ী অন্যান্যরা পেতে পারে ১ থেকে ৫টি আসন।












Click it and Unblock the Notifications