By Election: আমার প্রাণসংশয় পর্যন্ত হতে পারত! প্রকাশ্যে বন্দুক নিয়ে হুঁশিয়ারি বিতর্কে সাফাই দিলেন দিলীপ ঘোষ
ভবানীপুর উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে তত চড়ছে উত্তেজনার পারদ। তবে প্রচারের শেষ লগ্নে ব্যাপক উত্তেজনা জদুবাবুর বাজারে। প্রচার করতে গিয়ে বেধড়ক মার খেতে হল বিজেপি কর্মীদের। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষের উপরেও হামলার চেষ্টা করা হয় বল
ভবানীপুর উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে তত চড়ছে উত্তেজনার পারদ। তবে প্রচারের শেষ লগ্নে ব্যাপক উত্তেজনা জদুবাবুর বাজারে। প্রচার করতে গিয়ে বেধড়ক মার খেতে হল বিজেপি কর্মীদের। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষের উপরেও হামলার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র রণক্ষেত্রের চেহারা নয় ভবানীপুর অঞ্চল। ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও এহেন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, হারের আগেই হতাশা থেকে এগুলো করছেন। শুধু তাই নয়, বিজেপিই উত্তেজনার ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ।
তবে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, আমার প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হতে পারত। পুলিশ সামনে থেকেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। শুধু তাই নয়, ঘটনাস্থলে কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও দেখা যায়নি বলেও দাবি তাঁর।
দিলীপ ঘোষ বলেন, প্রচারের শেষ লগ্নে বিজেপির তরফে কার্যত ঝোড়ো প্রচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৮টি ওয়ার্ডে ৮০ জন বিজেপি নেতা প্রচার করবেন বলে ঠিক হয়। সেই মতো জদুবাবুর বাজার পৌঁছন দিলীপ ঘোষ। আর সেখানে পৌঁছানো মাত্র তাঁকে লক্ষ্য করে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হয়। পাল্টা বিজেপি কর্মীরা জয় শ্রী রাম স্লোগান দেওয়া হয়। আর তা নিয়ে ক্রমশ উত্তেজিত হতে থাকে পরিস্থিতি।
দিলীপ ঘোষ জানান, স্থানীয় একটি জায়গাতে কীভাবে ভ্যাকসিন চলছে তা দেখতে ঢুকি। আর সেই সময়ে তৃণমূল ক্যাডাররা আমাকে ঘিরে ফেলে। শুধু তাই নয়, কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই তৃণমূল আমাদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, বিজেপি কর্মীদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ দিলীপের।
পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেও হাতাহাতি হয় বলে অভিযোগ। আর এই ঘটনার পরেই প্রকাশ্যে বন্দুক হাতে বিক্ষোভকারীদের। হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায় সাংসদের নিরাপত্তারক্ষীদের। আর যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আর সেই প্রসঙ্গে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, বাধ্য হয়ে ভয় দেখতে আমার নিরাপত্তারক্ষীরা বন্দুক বার করেন। শুধু তাই নয়, তাঁর সুরক্ষার কথা ভেবেই এই কাজ বলেও সাফাই দিলীপের। না থেমে তিনি বলেন, প্রায় এক ঘণ্টা আগে আমাদের সাংসদ অর্জুন সিংহ প্রচারে গেলে তাঁকেও ধাক্কাধাক্কি করা হয়। তাঁকে নিরাপত্তারক্ষীরা বার করে নিয়ে যেতে বাধ্য হন। এই অবস্থা আমরা সব জায়গাতেই ফেস করি।
কিন্তু ভবানীপুর যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লড়ছেন সেখানে কীভাবে এই ঘটনা? কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন দিলীপে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলেও অভিযোগ দিলীপ ঘোষের। তবে এই ঘটনায় তৃণমূল মহাসচিব বিজেপি গোষ্ঠী কোন্দলের দিকে আঙুল তুলেছেন।
তাঁর দাবি, ''নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় মেতেছেন বিজেপির নেতারা। সুকান্ত বাবু নিজে রাস্তায় গড়াগড়ি খাচ্ছেন। কেউ আবার বন্দুক বার করছেন''। ৩০ সেপ্টেম্বর মানুষ ের জবাব আবার বিজেপিকে দেবে বলেও দাবি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।












Click it and Unblock the Notifications