বর্ধমান কাণ্ডে পলাতক ১৩ সন্দেহভাজনের জন্য নগদ পুরস্কার ঘোষণা

এই ১২ জনের মধ্যে ৯ জনের ছবি প্রকাশ করেছে এনআইএ। তবে বাংলাদেশ থেকে আসা সন্দেহের ৪ জনের মধ্যে ৩ জনেরই ছবি দিতে পারেনি এআইএ।
১৩ জনের মধ্যে ৫ জনের জন্য ১০ লক্ষ টাকার নগদ পুরস্কার রাখা হয়েছে। এই পাঁচ জনের সংক্ষিপ্ত পরিচয় নীচে দেওয়া হল।
- সাজিদ, বয়স ৪০, অনুমান বাংলাদেশের। মনে করা হচ্ছে মডিউলের প্রধান সাজিদই। মুর্শিদাবাদের লালগোলা মাদ্রাসার কাছেই থাকত সে।
- নাসিরুল্লা ওরফে সুহেল। মনে করা হচ্ছে বোমা বানানোয় বিশেষজ্ঞ ছিল। বর্ধমানে আইইডি বিস্ফোরণে ডান হাত খুইয়েছে সুহেল। সুহেলও বাংলাদেশী বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বাংলায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় থাকত।
- কৌসর, বাংলাদেশী বলেই অনুমান। ২ অক্টোবর বিস্ফোরণে মৃত শাকিল আহমেদের সঙ্গে সর্বশেষ য়াদের দেখা হয়েছিল কৌসর তাদের মধ্যে একজন ছিল। বর্ধমানে থাকত কৌসর। আইইডি বয়ে বাংলাদেশে নিয়ে যেত এই কৌসরই। কৌসরের স্কেচ প্রকাশ করেছে পুলিশ।
- তালহা শেখ। ২৮ বছর বয়স। বাংলাদেশী বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে ২টি ঠিকানায় থাকত তালহা। একটি নদিয়া ও অন্যটি বীরভূমের কিন্নাহার। কিন্নাহারে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি। তালহার দায়িত্ব ছিল জিহাদীদের নিয়োগ করে শিমুলিয়া ও লালগোলার মাদ্রাসায় তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া।
- মৌলানা ইউসুফ শেখ, ৩২ বছর বয়স। ইউসুফ একমাত্র ভারতীয় নাগরিক যার মাথার দাম ১০ লক্ষ টাকা রাখা হয়েছে। বর্ধমানের বাসিন্দা ইউসুফ। ইউসুফের কাজ ছিল শিমুলিয়ার মাদ্রাসা গড়ে তোলা যাতে সেখানে জঙ্গীদের প্রশিক্ষণ চলতে পারে।
১৩ জনের মধ্যে ৩ জনের জন্য ৫ লক্ষ টাকার নগদ পুরস্কার রাখা হয়েছে। এই তিন জনের সংক্ষিপ্ত পরিচয় নীচে দেওয়া হল।
- আমজাদ আলি শেখ, কিন্নাহারের বাসিন্দা।
- শাহনুর আলম, অসমের বরপেটাতে থাকত।
- হাবিবুর রহমান শেখ, কৌসরের সঙ্গে এক বাড়িতেই থাকত হাবিবুর।
১৩ জনের মধ্যে ৫ জনের জন্য ৫ লক্ষ টাকার নগদ পুরস্কার রাখা হয়েছে। এই তিন জনের সংক্ষিপ্ত পরিচয় নীচে দেওয়া হল।
- আবুল কালাম, শাকিল আহমেদের সঙ্গে যোগযোগ ছিল বলে অনুমান
- বুরহান শেখ, শিমুলিয়ায় মাদ্রাসা গঠনের জন্য জমি দিয়েছিল।
- রেজাউল করিম, যার বাড়ি থেকে এমআই এ ৪০ টি আইইডি উদ্ধার করেছিল।
- হাবিবুর রহমান শেখ, কৌসরের সঙ্গে এক বাড়িতেই থাকত হাবিবুর।
- জাহিরুল শেখ, ডাক্তার ডাকা হত তাকে। অসমের বরপেটাতে থাকত।












Click it and Unblock the Notifications