AI খুঁজে বের করবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের! পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্তে BSF-এর হাতে নতুন 'অস্ত্র'
দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তে বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের অংশ যথেষ্টই সংবেদনশীল। এই পথে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জিনিস চোরাচালানের অভিযোগ উঠেছে। বিএসএফের তরফে বিভিন্ন সময়ে সোনা-সহ অন্য বস্তু উদ্ধারও করা হয়েছে।
এই সীমান্ত পথে নজরদারি আরও বৃদ্ধি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। বিএসএফ কর্তাদের আশা এর ফলে অনুপ্রেবেশের পাশাপাশি অপরাধ ও অন্য অবৈধ কার্যকলাপ রোধ করা যাবে।

বিএসএফের এক সিনিয়র আধিকারিক বলেছেন, সীমান্তে প্রযুক্তি নির্ভর নজরদারির পাশাপাশি সংবেদনশীল সীমান্ত ফাঁড়িগুলিতে লোকবলও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এলাকায় টাউট ও চোরাকারবারীদের নেটওয়ার্ক ট্র্যাক করতে এবং ধ্বংস করতে বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিএসএফ সূত্রে খবর, সীমান্তে অসামাজিক কার্যকলাপে বিএসএফের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। যে কারণে ফিল্ড কমান্ডারদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ভিত্তিক অভিযান শুরু করতে ব্রিফ করা হয়েছে। অন্যদিকে ত্রিপুরা ও মেঘালয় সরকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি করতে বিএসএফকে অনুরোধ করেছে।
বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সীমান্তের ফাঁকফোকরগুলি বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে। সীমান্তে এআই নির্ভর ক্যামেরা সম্পর্কে এক আধিকারিক বলেছেন, এটি একটি ক্্যামেরা সিস্টেম। যা পারফরমেন্সকে উন্নত করে। ক্যামেরাগুলি বস্তু ও দৃশ্য সনাক্তকরণে সাহায্য করে।
বিএসএফ কর্তারা বলেছেন, সীমান্তকে অনুপ্রবেশ মুক্ত করতে রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি অন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ অভিযানে জোর দেওয়া হয়েছে। গত ছয় জুলাই বিএসএফ মুর্শিদাবাদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ৪১.৮ লক্ষ টাকার সোনা বাজেয়াপ্ত করেছে। ওই একই দিনে বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের ০৮ ব্যাটালিয়নের বর্ডার ফাঁড়ি পুট্টিখালির সজাগ জওয়ানরা, পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলা সীমান্ত এলাকা থেকে ২০টি স্বর্ণের বিস্কুট এবং ২ সোনার ইট সহ এক জন চোরাচালকারীকে আটক করেছে।












Click it and Unblock the Notifications