সীমান্তে চিনের এয়ারফোর্সের উস্কানির মধ্যেই মালদহে বিএসএফের জালে চিনা নাগরিক
নতুন করে ভারত-চিনের মধ্যে উত্তেজনা। পূর্ব লাদাখের বিপরীতে অবস্থিত তিব্বত সংলগ্ন বিমানঘাঁটি থেকে একের পর যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছে চিনা এয়ারফোর্স। পালটা নজরদারি ভারতের তরফে। তবে চিনা এয়ারফোর্সের উস্কানিতে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার সম্
নতুন করে ভারত-চিনের মধ্যে উত্তেজনা। পূর্ব লাদাখের বিপরীতে অবস্থিত তিব্বত সংলগ্ন বিমানঘাঁটি থেকে একের পর যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছে চিনা এয়ারফোর্স। পালটা নজরদারি ভারতের তরফে। তবে চিনা এয়ারফোর্সের উস্কানিতে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা। আর এই উত্তেজনা পরিস্থিতির মধ্যেই বিএসএফের জালে এক চিনা নাগরিক।
পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ওই চিনা নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কি কারণে সীমান্ত এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল ওই ব্যক্তি তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

ব্যক্তির গতিবিধি দেখে সন্দেহ!
জানা গিয়েছে, বাংলা এবং বাংলাদেশ সীমান্তে সন্দেহভাজন অবস্থায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় ওই চিনা ব্যাক্তিকে। এরপরেও মালদহের কালিয়াচকের সীমান্ত এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে আটক করে বিএসএফের ১৫৯ নম্বর ব্যাটেলিয়নরা। জানা যায়, সীমান্ত এলাকাতে সন্দেহজনক অবস্থায় ঘুরতে দেখা যায়। এরপরেই অনুসরণ করে আটক করেন বিএসএফ জওয়ানরা। খবর দেওয়া হয় কালিয়াচক থানাতেও।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট উদ্ধার!
কালিয়াচকের এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই চিনা নাগরিকের নাম হান জুনেই। তাঁর কাছ থেকে একটি বাংলাদেশের পাসপোর্ট উদ্ধার হয়েছে। মিলিক সুলতানপুর থেকে বাংলাদেশের সীমান্ত বিশেষ দূরে নয়। তবে, এলাকাটি নানারকম অপরাধমূলক কাজের জন্য বিখ্যাত। এমনকী, অতীতে পাচারকাণ্ডেও নাম উঠে এসেছে এই এলাকার। সেইখানে কী করে হান নামের ওই ব্যক্তি পৌঁছলেন তা নিয়ে প্রশ্ন করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক জেরার পর পুলিশ জানিয়েছে হান বাংলাদেশে ঘুরতে এসেছিলেন। কোনওভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েন। কিংবা তাঁকে কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ভারতে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে? সেটাও এখন ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।

নাগরিকের কাছ থেকে বেশ কিছু নথি উদ্ধার
চিনা ওই নাগরিকের কাছ থেকে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে মোবাইল ফোন। চিনা টাকা। ল্যাপটপ সহ আরও বেশ কিছু। এমনকি একটি চিনা ভাষাতে লেখা পাসপোর্ট। চিনা পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও কীভাবে বাংলাদেশ পাসপোর্ট আসল তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। ইতিমধ্যে ধৃত চিনা নাগরিককে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে বাংলাদেশ প্রশাসনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। কারণ কি কারণে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে আসে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়াও প্রয়োজনে চিনা কমিশনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হতে পারে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications