বাংলার ভূমিপত্র না কি বহিরাগত, আজ ট্রেলার ছিল...সুর চড়ালেন অভিষেক
পদ্মফুলকে উৎখাত করে জোড়া ফুলের মেলা হবে। রবিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে স্লোগান দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জনগর্জন সভায় বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বিজেপিকে রীতিমতো আক্রমণ করেছেন তিনি। বহিরাগত না কি বাংলার ভূমিপুত্র? কাকে বেছে নেবেন মানুষ? এই প্রশ্ন করেছেন তিনি।
লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের ব্রিগেড অন্যতম বড় সভা। তৃণমূলের সব স্তরের নেতারা ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত। সেখানেই রীতিমতো বিজেপি কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। শুভেন্দু অধিকারীকে নাম না করে আক্রমণ করলেন। ঘুরিয়ে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কেও নাম না করে খোঁচা দিলেন।

বাংলা বিরোধী বিজেপি। এমন আওয়াজ তুলুন। যাতে দিল্লির মাটি কেঁপে যায়। চোর চুরি করে আগে জেলে যেত। এখন বিজেপিতে যায়। আজকের ব্রিগেড বিজেপিকে বিসর্জন দেওয়ার ব্রিগেড। তৃণমূলের সভা থেকে জোর গলায় এমনই বক্তব্য রেখেছেন অভিষেক৷
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেডে আসেন। মঞ্চে ওঠার পর পৌঁছে যান র্যাম্পে। তিনি ৩৩০ ফুট দীর্ঘ র্যাম্পে হাঁটেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করেন র্যাম্পের থেকে। ষাঠাঙ্গে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে প্রণাম করেন। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এমনই মনে করা হচ্ছে।
শুরু থেকেই ঝাঁঝালো আক্রমণ করতে থাকেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ভাষার পরিশীলতা কখনওই গন্ডি ছাড়িয়ে যায়নি। বিজেপির কাছে টাকা আছে। আর তৃণমূলের মানুষ আছে। এমন কথা বললেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের জন্য কাজ করছেন। বাংলার উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন তিনি।
কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বাংলাকে ভাতে মারার চেষ্টা করছে। কিন্তু অধিকারের লড়াইতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লড়াই করছেন। সেজন্যই বিজেপি বাংলায় কোনও সুবিধা করতে পারছে না। টালির ছাদের ঘরে থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতি শুরু করেছিলেন। এতদিন পরেও সেই একই বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী থাকেন। বার্তা দিলেন অভিষেক।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন। এদিকে সব থেকে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চে। শুভেন্দু অধিকারীকে নাম না করে এমনই কটাক্ষ করেছেন। সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কেও খোঁচা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু তাঁর নাম মুখে আনেননি তিনি। বিচারপতিকে উত্তরীয় পরাচ্ছে চোরেরা। এমন কটাক্ষ করেছেন তিনি।
বাংলা মাথানত করবে না। লড়াইয়ের শেষ দেখে ছাড়ব। বাংলার ভূমিপত্র না কি বহিরাগতদের সমর্থন করেন?
আধার কার্ড, প্যান কার্ড লিঙ্কের নামে হাজার টাকা করে নিয়ে যাচ্ছে। মাঠে খেলা হবে। পদ্মফুল উপড়ে যাবে। জোড়াফুলের মেলা হবে। আজ ট্রেলার ছিল। এমনই কথা বললেন অভিষেক।
মানুষের গর্জন, বিজেপির বিসর্জন। কার পক্ষে থাকবেন? উন্নয়ন না কি অনাচারা? ভাষণ না কি রেশন? প্রশ্ন করেন অভিষেক। আবাস ও ১০০ দিনের প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রী তিন বছর টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদীকে চ্যালেঞ্জ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টাকা দেওয়া হয়েছে, শ্বেতপত্র করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications