ভাসা ভাসা বিবৃতি দিয়ে লাভ নেই! গোপালকৃষ্ণ গান্ধী এবং ধনখড়ের প্রসঙ্গ তুলে বার্তা ব্রাত্যের
ফের একবার সংঘাতের রাস্তায় নবান্ন এবং রাজভবন! রাজ্যপালের চিঠি ঘিরে একেবারে কড়া বার্তা ব্রাত্য বসুর। আর্থিক খরচ সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে আচার্যের অনুমোদন নিতে হবে। এমনই একটি নির্দেশিকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে পাঠানো হয়েছে রাজভবনের তরফে। আর এই নির্দেশিকা ঘিরেই যাবতীয় বিতর্ক।
শুধু তাই নয়, এই চিঠি একেবারে অন্ধকারে রেখেই জারি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করলেন ব্রাত্য বসু। আজ শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। আর সেখানেই কার্যত রাজ্যপালের এহেন চিঠি ঘিরে ক্ষোভ উগরে দেন। বলেন, চিঠির বিষয়ে উপাচার্যদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি। তবে এহেন চিঠির আইনি বৈধতা নেই বলেও মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী। যদিও এই বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে ব্রাত্যের আবেদন, এ৩ই চিঠি প্রত্যাহার করে নিক রাজ্যপাল।

শুধু তাই নয়, রাজ্যপাল বিরুদ্ধাচরণ করছেন বলেও এদিন অভিযোগ করেন ব্রাত্য বসু। বলেন, রাজ্যপালের পাশে বসে একাধিক বৈঠক করেছি। কিন্তু এমন ব্যবহারে কার্যত অবাকই শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, অভিমুখের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সম্পর্ক প্রতিযোগীর নয় সহযোগীর। সংঘাত কিংবা দন্দের জায়গা নেই বলেও দাবি। তবে রাজ্যপাল যা বলতে চান তা পরিষ্কার করে বলুন অথবা কাজে তা প্রকাশ করুন বলে বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর। যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
পাশাপাশি এদিন কথা বলতে গিয়ে প্রাক্তন রাজ্যপালদের কথাও উঠে আসে ব্রাত্য বসুর মুখে। একেবারে প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী এবং জগদীপ ধণখড়ের প্রসঙ্গ টেনে আনলেন তিনি। এমনকি এম কে নারায়ণনের মতো রাজ্যপালের কথাও উঠে আসে শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে। এই বিষয়ে বিশ্লেষণ দিতে গিয়ে বলেন, 'আমরা গোপালকৃষ্ণ গান্ধী কিংবা জগদীপ ধনখড়কে দেখেছি। যা চান একেবারে তা তাঁরা পরিষ্কার করে বলেন। এমনকি এম কে নারায়ণনের মতো রাজ্যপালকেও দেখা গিয়েছে বলেও দাবি ব্রাত্য বসুর। কিছুই বলতেন না। তবে ব্রাত্যের কথায়, ভাসা ভাসা বিবৃতি দিয়ে লাভ নেই। যেটা বলার পরিস্কার করে বলার বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর মুখে।

উল্লেখ্য, রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের কাছে চিঠি গিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে প্রতিসপ্তাহে রাজ ভবনে তাঁদের যাবতীয় কাজের রিপোর্ট দিতে হবে। এমনকি খরচের ক্ষেত্রেও রাজভবনের অনুমোদনের কথা বলা হয়েছে। আচার্য হিসাবে সিভি আনন্দ বোসের এহেন চিঠি ঘিরেই সংঘাত মাথা চাড়া দিল।












Click it and Unblock the Notifications