Duttapukur Blast: যত্রতত্র ছড়িয়ে মুন্ডু-হাত-পা, সকালেও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার একাধিক দেহাংশ
পুকুরে ভাসছে মুন্ডু। বাড়ির উঠোনে পড়ে কাটা হাত। দত্তপুকুরের বিস্ফোরণ স্থলের ২০০ মিটারের মধ্যে আজও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে একাধিক দেহাংশ। গতকাল রাতভর তল্লাশি চালানোর পরেও সোমবার সকাল থেকে উদ্ধার হয়ে চলেছে একের পর এক দেহাংশ।
গতকাল সকাল ১০ নাগাদ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে দত্তপুকুরের নীলগঞ্জ এলাকা। একাধিক বাড়ি গুঁড়িয়ে গিয়েছে বিস্ফোরণের তীব্রতায়। বেআইনি বাজি কারখানা থেকেই বিস্ফোরণ বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। বিস্ফোরণস্থলের সংলগ্ন একাধিক বাড়ি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একাধিক ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার মধ্যে শিশুরাও রয়েছে।

এই ঘটনায় অন্যতম মূল অভিযুক্ত কেরামত আলির মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। এগরা কাণ্ডে ভানু বাগের মতোই পরিণতি হয়েছে তাঁর। অন্যদিকে সকালে বাজি কারখানার আরেক পার্টনার সফিকুল আলিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিস্ফোরক আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকালই ফরেন্সিক টিম এবং বম্ব স্কোয়াড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আজও ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করবে ফরেন্সিক দল এবং বম্ব স্কোয়াড।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় অধিকাংশ বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। শুধু বাজি কারখানার বাড়ি নয় আশপাশের একাধিক বাডি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতোটাই ছিল যে বারাসত শহরে পর্যন্ত শোনা গিয়েছে শব্দটি। ঘটনার পর বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা অভিযোগ করেছেন পুলিশ এবং প্রশাসনের মদতেই সেখানে বাজি কারখানা চালত। বাজি কারখানার মালিক তৃণমূল কংগ্রেস করত বলেও অভিযোগ করেছিলেন স্থানীয়রা।
বাজি কারখানার আড়ালে বিস্ফোরক তৈরি হতো কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ বিস্ফোরণের তীব্রতায় অনুমান করা হচ্ছে এখানে বিস্ফোরক তৈরি করা হতো। গতকাল রাতভর তল্লাশি চালিয়ে সাদা পাউডারের মতো বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে পুলিশ। নীলগঞ্জ এলাকায় রাসায়নিক গবেষণাগারের হদিশ পেয়েছে পুলিশ। সেখানে একাধিক নিষিদ্ধ রাসায়নিকের সন্ধান মিলেছে। বারাসত সহ বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে একাধিক নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications