নিষেধাজ্ঞা না মানার মর্মান্তিক পরিণতি! দিঘায় মৃত্যু কলকাতার পর্যটকের
দিঘার সমুদ্রে নেমে মৃত্যু হল এক পর্যটকের। শনিবার সকালে উদ্ধার করা হয় মহম্মদ কোয়াইশ নামের এই পর্যটকের দেহ।
দিঘার সমুদ্রে নেমে মৃত্যু হল এক পর্যটকের। শনিবার সকালে উদ্ধার করা হয় মহম্মদ কোয়াইশ নামের এই পর্যটকের দেহ। কলকাতার আড়িয়াদহের বাসিন্দা কোয়াইশ শুক্রবার বিকেলে ওল্ড দিঘার সমুদ্রে নেমে তলিয়ে যায়। শুক্রবার দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে দিঘা গিয়েছিল কোয়াইশ। বিকেলে যখন সে সমুদ্রে নামতে যায় সেই সময় সমুদ্র উত্তাল ছিল। তাকে নামতে বারণ করা হলেও শোনেনি বলেই অভিযোগ।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার মাশুল দিতে হয়েছে এর আগেও। অনেক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে দিঘার সমুদ্রে। গত ২৫ মে এখানে সমুদ্রে নেমে মৃত্যু হয় ব্যারাকপুরের শঙ্কর দেব নামের এক ব্যক্তির। তিনিও নিষেধ অমান্য করে সমুদ্রে নেমেছিলেন। তবে ভাগ্যের জেরে বেঁচে যান সুজিত সরকার নামের এক ব্যক্তি। ৫ জুন তিনি সমুদ্রে নেমে তলিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় নুলিয়ারা তাঁকে কোনও মতে উদ্ধার করে।
দিঘায় সমুদ্রে দুর্ঘটনা ও বেপরোয়া পর্যটকদের মৃত্যু আটকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। সমুদ্রের ধারে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। বলা হয়েছে সমুদ্র যখন উত্তাল থাকবে সেই সময় যেন কেউ সমুদ্রে না নামে। তারপরও অনেক পর্যটক এই সব নিয়ম ও নির্দেশিকা মানছেন না, তা এই ঘটনা থেকেই পরিষ্কার। নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের সাবধান করলেও বেশ কয়েকজন সেই সময় সমুদ্রে নেমে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। এই ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচতে পর্যটকের সচেতন হতে হবে, বলেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications