এসআইআরের কাজের চাপে মেমারিতে স্ট্রোকে মৃত বিএলও, দাবি পরিবারের! কালনায় শয্যাশায়ী ভোটারের বাড়িতে স্বপন
এসআইআরের আতঙ্কে স্ট্রোক! এমনই অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ও কালনায়। পরিবারের দাবি, এসআইআরের কাজের চাপ না নিতে স্ট্রোকের কারণে মারা গিয়েছেন এক বিএলও।
কালনায় এক ভোটার এসআইআরের ভয়ে স্ট্রোকের শিকার হন। শয্যাশায়ী ওই ব্যক্তির বাড়িতে যান রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।

মেমারি পূর্ব বর্ধমান জেলায়। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধনের (SIR) কাজে নিযুক্ত এক বুথ লেভেল অফিসার (BLO) ব্রেন স্ট্রোকে মারা গিয়েছেন বলে তাঁর স্বামী আজ দাবি করেছেন। তিনি এই মৃত্যুকে কাজের চাপজনিত চরম মানসিক উদ্বেগের পরোক্ষ ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জানা গিয়েছে, নমিতা হাঁসদা (৫০) শনিবার গভীর রাতে মেমারিতে নিজের বাড়িতে "কাজের চাপের কারণে গুরুতর মানসিক চাপে" অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। নমিতার স্বামী মাধব হাঁসদা জানান, নমিতা একজন আইসিডিএস কর্মী ছিলেন এবং মেমারির চক বলরামপুর এলাকার ২৭৮ নম্বর বুথের বিএলও হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি "নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসআইআর কাজ শেষ করার লক্ষ্য পূরণের বিষয়ে খুব চিন্তিত" ছিলেন।
যদিও কমিশন সূত্রে খবর, ওই বিএলওর মৃত্যু হয়েছে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাজনিত কারণেই। এর সঙ্গে তার এসআইআর কর্তব্যের কোনও সরাসরি যোগসূত্র স্থাপন করা যায়নি।'ভোট কর্মী ও বিএলও ঐক্য মঞ্চ'-এর সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল সিইও মনোজ আগরওয়ালের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে মানবিক কারণে হাঁসদার পরিবারের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
সংগঠনটি বলেছে, "নির্ধারিত কাজের অতিরিক্ত চাপের কারণে তিনি মারা গিয়েছেন। মানবিক কারণে তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানো নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।"
এদিকে, কালনা পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ক্ষিতীশ শর্মা স্ট্রোকের পর শয্যাশায়ী। তাঁর পরিবারের দাবি, এসআইআর নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। সে কারণেই এই অবস্থা। তাঁর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।












Click it and Unblock the Notifications