দিনে রোদের দাপট, রাতে শীতের ছোঁয়া, কবে বিদায় নেবে শীত? জেনে নিন আবহাওয়ার আপডেট
রাজ্য জুড়ে এখন আবহাওয়ার পরিবর্তন চলছে। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রাত নামলেই শীতের কামড় টের পাচ্ছেন মানুষজন। উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে এখনও শীতের আমেজ পুরোপুরি ফিকে হয়ে যায়নি। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই মুহূর্তে শীতের বিদায় ঘটছে না বরং সাময়িকভাবে আরও কিছুটা জাঁকিয়ে বসছে ঠান্ডা।
হঠাৎ করেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রার পারদ খানিকটা নেমে যাওয়ায় ফের শীতের অনুভূতি জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া জেলায় সকাল ও সন্ধ্যায় ঠান্ডার প্রভাব বেশ স্পষ্ট। যদিও কনকনে, হাড় কাঁপানো শীত নেই, তবুও আগের কয়েক দিনের তুলনায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে এই ঠান্ডার স্থায়িত্ব খুব দীর্ঘ নয় বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর। চলতি মাসের শেষের দিকেই ধীরে ধীরে শীত বিদায় নিতে পারে বলে ইঙ্গিত।

আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পুরুলিয়া জেলায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ প্রায় ৮৯ শতাংশ। আপাতত জেলায় বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। মোটের উপর মৃদু শীতের পরিবেশ বজায় থাকছে।
দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দাপট দেখা যাবে। কলকাতা, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান প্রায় সব জেলাতেই কুয়াশার প্রভাব থাকবে। তাপমাত্রা ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের ঘরে ফিরবে বলেই পূর্বাভাস।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়ার ছবিতে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়বে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে কুয়াশার ঘনত্ব তুলনামূলক বেশি হতে পারে। তবে সেখানেও আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক, আর প্রবল শীতের কোনও পূর্বাভাস নেই উত্তরবঙ্গে।
সব মিলিয়ে, পুরুলিয়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এখনও শীতের আমেজ টিকে থাকলেও তা আর দীর্ঘস্থায়ী নয়। কনকনে ঠান্ডা না থাকলেও হালকা শীতের ছোঁয়ায় আপাতত উপভোগ্য আবহাওয়াই অনুভব করছেন সাধারণ মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications