কামদুনিতে মিছিল বিজেপির, মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শুভেন্দুর
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু অধিকারী। কামদুনি কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের ভিত্তিতে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ফের রাজপথে মিছিল কামদুনি ইস্যুতে। শুভেন্দু অধিকারী সেই মিছিলে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন।
সিআইডি কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের তথ্য পেশ করেছে। সিআইডি এই মামলাকে দুর্বল করে দিয়েছে। পাশাপাশি ১৫ বার এই মামলা চলাকালীন সরকারি উকিল বদলেছে। পরিকল্পিতভাবেই এই কাজ হয়েছে। এমনই দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

১০ বছর আগে কামদুনিতে যে ঘটনা হয়, তাতে নিন্দার ঝড় ওঠে রাজ্যজুড়ে। মৃত নির্যাতিতা সঠিক বিচার পাক। এই দাবি উঠেছিল। দোষীদের গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। রাজ্যের তরফে তদন্তের ভার সিআইডির উপর দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নিম্ন আদালত অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করেছিল। পাঁচ জনকেই ফাঁসির সাজা শোনানো হয়। অভিযুক্তদের তরফে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। ফের শুরু হয় মামলা। সেই মামলারই রায় দিয়েছে আদালত। ফাঁসির আবেদন বাতিল করে আমৃত্যু যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তিনজনকে প্রমাণের অভাবে খালাস করা হয়েছে।
এরপরেই শুরু হয়েছে চাপানউতোড়। কীভাবে মামলা সাজানো হয়েছিল? কিসের ভিত্তিতে বিচারপতিরা এই রায় দিলেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিচারব্যবস্থাকে কোনওভাবে দায়ী করতে চাই না। বিচারব্যবস্থার উপর সম্মান রয়েছে। কিন্তু সিআইডি যেভাবে এই কেসটাকে দুর্বল করেছে। গত ১০ বছরে ১৫ বার সরকারি উকিল বদলে এই মামলাকে খতম করার ব্যবস্থা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুভেন্দুর অভিযোগ, কামদুনির ঘটনাকে ছোট্ট ঘটনা বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে অভিযুক্তদের। পুলিশ তাদের বাড়ির সামনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু মৌসুমি ও টুম্পা কয়ালের নিরাপত্তার কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি।
সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের আবেদনের উপর ভরসা নেই শুভেন্দুর। মৌসুমি, টুম্পা ও নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। সুপ্রিম কোর্টে তারা আলাদাভাবে মামলা লড়তে হলেও সমস্যা নেই৷ বিজেপি ও শুভেন্দু তাদের পাশে থাকবেন। নাম করা দুই ব্যারিস্টারকে এই মামলায় নিয়োগ করা হতে পারে বলে খবর। শুভেন্দু অধিকারীর আশা, অভিযুক্তদের সঠিক সাজা এরপর হবে।
বিজেপি মহিলা মোর্চার কর্মসূচিতে এদিন যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। কামদুনি বাজার থেকে মিছিল শুরু হয়। নির্যাতিতার বাড়ির এলাকা অবধি গিয়েছিল এই মিছিল৷ অন্য একটি মিছিল হয়েছিল কলকাতার রাজপথে।
অরাজনৈতিক ওই মিছিলে নাগরিক সমাজ উপস্থিত ছিল। মৌসুমি কয়াল, টুম্পা কয়াল ছিলেন সামনের সারিতে। রাজ্য সরকারের উপর তারা ক্ষোভ উগরে দেন।
-
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications