Bangla Bandh: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে বিজেপির বাংলা বনধ, ট্রেন চলাচলের দিকেই নজর চন্দ্রিমাদের
Bangla Bandh: কাল ২৮ অগাস্ট। বরাবরের মতে এবারেও মেয়ো রোডে রয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের কর্মসূচি। যেখানে বক্তব্য রাখবেন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
তার আগে আজ পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের নবান্ন চলো কর্মসূচিকে দমাতে গিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অভিযোগ এনে কাল বাংলা বনধ ডেকেছে বিজেপি।

কলকাতার কর্মসূচিতে যোগ দিতে জেলা থেকে ইতিমধ্যেই শহরে এসে পৌঁছেছেন দলীয় কর্মী-সমর্থক। তবে সমাবেশের দিনেও ট্রেনে, বাসে কলকাতায় আসার কথা অনেকের। এই আবহে বিজেপির বাংলা বনধের দিন অশান্তির আশঙ্কার উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আজ তৃণমূলের মিডিয়া কমিটির সদস্য তথা মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ছাত্র সমাজের নামে কর্মসূচিতে গুন্ডা আমদানি করা হয়েছে। পুলিশকে আক্রমণ করা হয়েছে। প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। ইট, লাঠি দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে। পুলিশ তবু ধৈর্য্য হারায়নি। হতাশা থেকে ফের অরাজক পরিস্থিতির জন্য ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকা হলো।
চন্দ্রিমার কথায়, ওদের চাহিদা ছিল বডি চাই। সেটা হয়নি। সাধারণ মানুষ জানেন আজকের আন্দোলন রাজনৈতিক চক্রান্ত। বনধ হলে অর্থনীতিতে আঘাত নেমে আসে। বনধ রাজনীতি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তা আবার চালানোর চেষ্টা হচ্ছে। বাংলার মানুষ এই বনধ সফল হতে দেবেন না।
চন্দ্রিমা বলেন, আমাদের কাল কর্মসূচি রয়েছে। রেলকে আবেদন করছি, ট্রেন চলাচল বন্ধ করবেন না। আরজি করের ঘটনার তদন্ত সিবিআই করছে। তাই বিবেচনা করে সিবিআইয়ের কাছে যান। আজকের কর্মসূচিতে জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন চন্দ্রিমা।
মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, আজ পরীক্ষা ছিল। তারও তোয়াক্কা না করে অরাজকতা তৈরি করা হলো। মিছিলে অধিকাংশ হুলিগান দেখা গিয়েছে। বিচারের পরিবর্তে তাঁরা লাশ খুঁজতে বেরিয়েছিলেন। আমি তো ভেবেছিলাম একটা মিছিল সিবিআই অফিসে যাবে। যাতে এই তদন্ত রবীন্দ্রনাথের নোবেল চুরির তদন্তের মতো না হয়।
ব্রাত্য বলেন, হঠকারী আন্দোলনে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা হলো আজ। বনধ এখন বাতিল ও পরিত্যক্ত শব্দ। সেই শব্দে আর নতুন করে কেউ পা দেবেন না।












Click it and Unblock the Notifications