সভাপতির সামনেই মার খেলেন কর্মীরা! নেপথ্যে কারা, যুদ্ধ শুরু বিজেপি-তৃণমূলের
বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কনভয়ের সামনে প্রহৃত হলেন বিজেপি কর্মীরা। দিলীপ ঘোষের কনভয়ের সামনে বিজেপি কর্মীদের মারধরের ঘটনার নেপথ্যে কারা, তা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্
কাঁথির পর খড়গপুর। ফের বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কনভয়ের সামনে প্রহৃত হলেন বিজেপি কর্মীরা। দিলীপ ঘোষের কনভয়ের সামনে বিজেপি কর্মীদের মারধরের ঘটনার নেপথ্যে কারা, তা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল পরিকল্পনামাফিক এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে এই ঘটনা ঘটেছে।

খড়গপুর কেন্দ্রের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। তাঁর বিধানসভা ক্ষেত্রেই ঘটল এই ধরনের ঘটনা। বিজেপির যুক্তি দিলীপ ঘোষের কনভয়ের সামনে বারেবারে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল। দিলীপ ঘোষ খড়গপুরের বসন্তপুরে এক আরএসএস নেতার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। তখনই ঘটে বিপত্তি।
এক সময়ে সংঘের প্রচারক ছিলেন দিলীপ ঘোষ। এই সংঘেরই এক প্রচারক অদ্বৈতচরণ দত্ত লক্ষ্মীপুজোয় বাড়ি ফিরেছেন, তাঁর সঙ্গেই দেখা করতে যাচ্ছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। দিলীপ ঘোষের কনভয়ের সামনে মোটরবাইক নিয়ে ছিলেন বেশ কয়েকজন কর্মী। কালো পতাকা হাতে কয়েকজন এসে বিজেপি কর্মীদের মোটরবাইক আটকে মারধর করে।
গাড়ি থেকে পুরো ঘটনা চাক্ষুষ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তারপর দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তারক্ষীরা উদ্ধার করেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের। এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল রয়েছে বলে যুক্তি দেখালেও, বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্বও একেবারে এড়ানো যাচ্ছে না। কারণ বিজেপির কোনও কর্মসূচি ছিল না। বিজেপি রাজ্য সভাপতি এক সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। সেখানে তণমূলের কালো পতাকা প্রদর্শনের বিষয় আসবে কেন, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
এর আগে কাঁথিতেও দিলীপ ঘোষের সামনে প্রহৃত হন বিজেপি কর্মীরা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি নিজে নিগৃহীন হন। অভিযোগ ওঠে, এলাকার তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী দাঁড়িয়ে থেকে বিজেপির উপর হামলা চালিয়েছেন। তা নিয়ে চাপানউতোর তৈরি হয় উভয় দলের মধ্যে। এবার খড়গপুরের ঘটনা নিয়েও দুই দল সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়।












Click it and Unblock the Notifications