বীরভূমে ফের আক্রান্ত বিজেপি, অভিযোগ ওড়ালেন মদন মিত্র

এ দিন বোলপুরের ডাকবাংলো মাঠে বিজেপির একটি জনসভা ছিল। তাতে হাজির ছিলেন দলের সভাপতি রাহুল সিনহা এবং আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। এ ছাড়া ছিলেন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি দুধকুমার মণ্ডল। এই সভায় যোগ দিতে বীরভূমের বিভিন্ন জায়গা থেকে অন্তত ৭০টি বাসে করে আসছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তাদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরাই এই হামলা চালিয়েছে। কারণ, এ দিন শাসক দলের অনেক বিক্ষুব্ধ কর্মীই বিজেপিতে যোগ দিতে আসছিলেন। জনমনে ত্রাস সঞ্চারের উদ্দেশ্যে আক্রমণ করা হয়েছে বাসে। তখন বারবার পুলিশকে ফোন করা হলেও তারা সহায়তা করেনি বলে অভিযোগ। যে ১৭ জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক জখম হয়েছেন, তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে সিউড়ি ও বোলপুর হাসপাতালে।
"মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল, এখন পরিত্রাণ চাইছে", বললেন শমীক ভট্টাচার্য
যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়, এই ঘটনায় তাদের কোনও ভূমিকা নেই। পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র সরাসরি বলেন, "বিজেপির বিক্ষুব্ধ কর্মীরাই বাসে ঢিল ছুড়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও যোগ নেই। মনে রাখবেন, মানুষ অনুব্রত মণ্ডলের পাশে আছে। ওর এ সব করার দরকার নেই।"
হামলার খবর আসার পরই জেলার নেতাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন রাহুল সিনহা। ঠিক হয়েছে, দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার না করলে শাসক দলের সাংসদদের ঘেরাও করবে বিজেপি। জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল। এখন পরিত্রাণ চাইছে। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আজ যে অরাজকতা চলছে, নিশ্চিতভাবেই একদিন তার অবসান ঘটবে। যতই মানুষকে ভয় দেখানো হোক, বিজেপিকে ঠেকানো যাবে না।" ঘটনার নিন্দা করে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, "মদনবাবু বলেছেন, মানুষ অনুব্রত মণ্ডলের পাশে আছে। সেটা সত্যি কি না, সময়ই বলবে। কিন্তু পুলিশ-প্রশাসন যে পুরোপুরি অনুব্রতবাবুর পাশে, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।"












Click it and Unblock the Notifications