কোচবিহারে নৃশংস ভাবে হত্যা বিজেপি কর্মী! প্রশাসনের চোখে কাপড়, আক্রমণ বাবুলের
কোচবিহারে নৃশংস ভাবে হত্যা বিজেপি কর্মী! প্রশাসনের চোখে কাপড়, আক্রমণ বাবুলের
আরও এক বিজেপি (bjp) কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ তৃণমূলের (trinamool congress) বিরুদ্ধে। এদিন সকালে কোচবিহারের পূর্ব শিকারপুরে বিজেপির বুথ সভাপতি কালাচাঁদ কর্মকারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির তরফে তৃণমূলের দিকে অভিযোগে আঙুল তোলা হলেও, তৃণমূল অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

কোচবিহারে পিটিয়ে খুন বিজেপি কর্মী
বুধবার সকালে পিটিয়ে খুন এক বিজেপি কর্মী। ঘটনাটি কোচবিহারের পূর্ব শিকারপুরের। মৃতের পরিবারের অভিযোগ বিজেপি করার অপরাধেই কালাচাঁদ কর্মকার নামে ওই বিজেপি কর্মীর ওপরে হামলা করা হয়েছে। একই অভিযোগ করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বও। তারা বলেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই খুন করেছে কালাচাঁদ কর্মকারকে।

কালীপুজোয় গণ্ডগোলের জের
স্থানীয় সূত্রে ঝানা গিয়েছে কালীপুজোয় এলাকার দুটি ক্লাবের মধ্যে গণ্ডগোল হয়েছিল। এদিন সকালেও তার জের চলে। খবর পেয়েই এলাকায় যায় তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে একজনকে।

অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের
তৃণমূল নেতা তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ দাবি করেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। তিন বিষয়টি গেরুয়া শিবিরের অন্তর্কলহ বলে বর্ণনা করেছে। এছাড়াও পারিবারিক সমস্যাও এর পিছনে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

বাবুল সুপ্রিয়র আক্রমণ
বিজেপির তরফে এই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা হয়েছে। তারা বলছে, রক্তের রাজনীতি করে বাংলার মানুষের সমর্থন পাওয়া যায় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিন গোনার পালা শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় টুইট করে অভিযোগ করেছেন, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুণ্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছে। কিন্তু প্রশাসন চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছে, কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে। খুব শীঘ্রই মানুষ এই 'অহংকারী' সরকারকে জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। ।

গত বুধবারে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতি নগরে বিজেপি কর্মীকে হত্যা
বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরের গাজিপুরে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে মারা হয়। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূল এই ঘটনায় জড়িত। পরিবার ও বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী টিঙ্কু পাল করোনা আক্রান্ত। অভিযোগ, তিনি এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এরই প্রতিবাদ করেছিলেন গোকুল জানা নামে বছর ৬২-র এই বিজেপি কর্মী। এই সময় গোকুল জানাকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। বিজেপি দাবি করেছে, ২০১৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকে তাঁদের দলের ১২৫ জনের বেশি নেতা কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications