পাখির চোখ ২০২১ এর নির্বাচন! বিজেপির রাজ্য কমিটিতে ‘তারুণ্যের জয়গানে’ বাদ পড়বেন যাঁরা
বিজেপির পাখির চোখ ২০২১-এ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। সেই ভোটের দিকে নজর রেখে বিজেপি রাজ্যের ইউনিট ঢেলে সাজাতে চাইছে।
বিজেপির পাখির চোখ ২০২১-এ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। সেই ভোটের দিকে নজর রেখে বঙ্গ বিজেপি রাজ্যের ইউনিট ঢেলে সাজাতে চাইছে। রাজ্য কমিটি থেকে নিষ্ক্রিয় নেতাদের সরিয়ে দলে তরুণ ও যোগ্য সংগঠকদের নিয়ে এসে সংগঠনটিকে আরও মজবুত করে তোলাই গেরুয়া শিবিরের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে এটি রাজ্য বিজেপিতে অদলবদল ঘটতে পারে।

পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে রিপোর্ট
বিজেপির এক প্রবীণ নেতা জানান, রাজ্য ইউনিটের সমস্ত নেতার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই সংক্রান্ত রিপোর্টও প্রস্তুত হচ্ছে, যার ভিত্তিতে তারা পরবর্তী কমিটিতে স্থান পাবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, গত দু'মাসে সিএএ-র সমর্থনে প্রচারে রাজ্য নেতাদের কার্যকারিতা এবং অংশগ্রহণই মূল মানদণ্ড হবে এই মূল্যায়নে।

ভাল সমন্বয় ও কার্যকারিতার জন্য
রাজ্ বিজেপির নেতাদের মধ্যে আরও ভাল সমন্বয় ও কার্যকারিতার জন্য তারা সাংগঠনিক জেলার পুনর্নির্মাণও করবে। পর পর দু-বার দিলীপ ঘোষ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তারপর কয়েক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। কিন্তু রাজ্য কমিটিতে এখনও পরিবর্তন আসেনি।

নতুন মুখ রাজ্য কমিটিতে
রাজ্য কমিটিতে পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছিলেন স্বয়ং দিলীপ ঘোষ। তিন জানান, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পরে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে। নতুন মুখ রাজ্য কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। তিনি জানুয়ারিতে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার ঠিক পরে কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে নিষ্ক্রিয় নেতাদের সরিয়ে নতুন ও তরুণদের পথ সুগম করা হবে।

টিএমসি ও অন্যান্য দল থেকে আসবেন
বিজেপি জানিয়েছে, পুরো রাজ্য সংগঠনটাই সংস্কার করা হবে। শুধু আরএসএস থেকে আসা নেতারা নন, যারা টিএমসি ও অন্যান্য দল থেকে এসেছেন তাদেরও স্থান দেওয়া হবে এই কমিটিতে। সমস্ত নেতার মধ্যে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। তাদের সাংগঠনিক ক্ষমতা, কাজের শৈলী এবং নির্বাচনের সময় কাজ করার দক্ষতা বিচার করেই রিপোর্ট তৈরি হচ্ছে।

কারা অন্তর্ভুক্ত হবে, কারা বাইরে থাকবেন
যারা এই পরীক্ষা উত্তীর্ণ করবে, কেবল তাদেরই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। অন্যরা বাইরে থাকবেন। অখিল ভারতীয় ছাত্র পরিষদ বা এবিভিপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বা ভিএইচপি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস থেকে আসা নেতারা অন্তর্ভুক্ত হবেন। টিএমসি ও অন্যান্য দল থেকে যোগ দেওয়া নেতাদেরও স্থান দেওয়া হবে এবং তাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হবে।

তৃণমূলকে টক্কর দিতে পরিকল্পনা
এর আগে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিকভাবে এত শক্তিশালী ছিল না। তবে রাজনৈতিক সমীকরণ পরিবর্তিত হয়েছে এবং বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান বিরোধী হয়ে উঠেছে। তাই রাজ্য কমটি গড়া হবে তারুণ্য-অভিজ্ঞতার মেলবন্ধনে যাতে তৃণমূলকে কড়া টক্কর দেওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications