গর্জন ছেড়ে কেষ্টর গড়ে ‘অরাজক’ দাওয়াই বিজেপির, অনুব্রত চুপ হতেই উসকানি
বীরভূমে আর অনুব্রত মণ্ডলের রাজ চলতে দেব না। সমস্ত আসনেই আমরা প্রার্থী দেব। এবং সমস্ত আসনেই আমরা জিতব।
বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডলের রাজপাট শেষ করার হুঁশিয়ারি দিল বিজেপি। বিজেপির জেলা পর্যবেক্ষক এবার হুঙ্কার ছাড়লেন, 'ওরা যতরকম অরাজকতা চালাবে, তার থেকেও বেশি অরাজকতা চালাব আমরা। বীরভূমে আর অনুব্রত মণ্ডলের রাজ চলতে দেব না। সমস্ত আসনেই আমরা প্রার্থী দেব। এবং সমস্ত আসনেই আমরা জিতব।'

বীরভূমে অনুব্রতর রাজপাট পাটে তুলতে ৪০টি মণ্ডলকে নিয়ে শুক্রবার বৈঠক করে বিজেপি। এই বৈঠক শেষে বিজেপি জেলা পর্ষবেক্ষক সমীরণ সাহা শ্লেষ দাগেন, 'অনুব্রতর যত বাড়বাড়ন্ত কাগজ-টিভিতে। শুধুই ফাঁকা আওয়াজ দেন। এবার পঞ্চায়েতে অনুব্রত মণ্ডল অ্যান্ড টিমকে সমূলে উৎখাত করেই ছাড়ব আমরা। তাই ৪০ মণ্ডলের বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সব আসনে লড়ার। শুধু তো লড়লে হবে না জিততে হবে। সেই পরিকল্পনাও আমাদের তৈরি।'
তিনি বলেন, 'আমরা জানি, তৃণমূল এখানে অরাজকতা তৈরি করবে। তা রুখতে আমরা তার থেকেও বেশি অরাজকতা করব। গত একমাস ধরে অনুব্রত মণ্ডল হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন- আমাদের পঞ্চায়েতে কোনও প্রার্থী দিতে দেবেন না। কিন্তু আমরা সব আসনে প্রার্থী দেব। উনি কি উৎপাত করবেন, আমরা তার দ্বিগুণ উৎপাত করব। আর তার জন্য দায়ী থাকবেন অনুব্রত মণ্ডলই।'
এদিনের বৈঠকে জেলার ৪০ মণ্ডলের প্রায় ১৫০ জন নেতা-সক্রিয় কর্মী হাজির ছিলেন। এই বৈঠকে কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুথ কমিটি গড়ে আন্দোলনে নামতে বলা হয়েছে। তাঁদের পরিকল্পনা তৃণমূলকে প্রতিরোধ করতে পাল্টা প্রতিরোধের রাস্তায় হাঁটা। মারতে এলে পাল্টা মারের রাস্তাই নিতে চাইছেন তাঁরা। বিজেপি নেতাদের কথায়, 'তৃণমূলে ভাঙন ধরেছে বীরভূমে। মুকুল রায় আসার পর বদল ঘটেছে বীরভূমের রাজনৈতিক চিত্রে। এবার পড়ে পড়ে মার খাওয়ার দিন শেষ। এবার জবাব দেওয়ার পালা।'
অনুব্রত মণ্ডল এরপরও নীরব থেকেছেন। নিজে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। শুধু জানিয়েছেন, 'আমার নেতা ফিরহাদ হাকিম যা বলার বলবেন। আমি শুধু বলতে পারি বীরভূমে জিতবে তৃণমূল কংগ্রেসই। বীরভূমের মাটিতে উন্নয়নই তাঁর প্রমাণ। এখানে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে। সেই উন্নয়নের জেরেই এই জেলায় তৃণমূলের পতাকাই উড়বে।'












Click it and Unblock the Notifications