বিজেপির বৈঠকে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার নিদান, বেসুরো বাছাই দস্তুর একুশের ভরাডুবিতে
বিজেপির বৈঠকে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার নিদান, বেসুরো বাছাই দস্তুর একুশের ভরাডুবিতে
একুশের নির্বাচনে হারের পর বিপর্যস্ত অবস্থা বিজেপির। প্রতিদিনই কেউ না কেউ বেসুরো গাইছেন। কেউ আবার খোলাখুলি আবেদন জানাচ্ছেন তৃণমূলে ফেরার। এই অবস্থায় জরুরি বৈঠক ডাকল রাজ্য বিজেপি। সেই বৈঠকে রাজ্য নেতাদের প্রত্যেককে সশরীরে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ বিজেপির
করোনা পরিস্থিতিতে এতদিন ভার্চুয়াল বৈঠক ডাকা হচ্ছিল। কেউ উপস্থিত হচ্ছিলেন, কেউ উপস্থিত হচ্ছিলেন না। এই অবস্থায় এবার প্রত্যেককেই সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে। তবে একুশের নির্বাচনে ভরাডুবির পর বহুবারই এমন চেষ্টা করা হয়ছিল, আখেরে কিছু লাভ হয়নি।

বৈঠকে কারা আসছেন, কারা আসছেন না, জানতেই উদ্যোগ
বিজেপিতে প্রতিদিন বৈঠকের একটা নিয়ম চালু হয়েছে সম্প্রতি। কিন্তু সেই বৈঠক হয় ভার্চুয়াল। এবার সশরীরে উপস্থিত হতে হবে বৈঠকে। আসলে বৈঠকে কারা আসছেন, কারা আসছেন না, তা জানতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে বিপর্যস্তদের পাশে দাঁড়াতে দলের সব নেতাকে ত্রাণে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ কেমন হয়েছে তার রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে মঙ্গলবারের বৈঠকে।

দলের ফাঁকফোকর মেরামত করাও দুঃসাধ্য হয়ে যাচ্ছে
ভোটের ফল প্রকাশ্যে আসার পর যে ক্ষোভের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে জেলায় জেলায়, তা সামাল দেওয়া এখন প্রধান কাজ বিজেপির। তাঁদের উদ্দেশ্য, যে করেই হোক ভাঙন রোখা। কে বিজেপিতে থাকবেন, কে যাবেন তা জানে না নেতৃত্ব। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বৈঠক ডাকছেন, তবু আসছেন না অনেকে। তাই দলের ফাঁকফোকর মেরামত করাও দুঃসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।

নব্যরা তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন, পুরনোরা গোষ্ঠীকোন্দলে
দলে নব্যরা তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন। আর পুরনো কর্মীদের মধ্যে মাথাচাড়া দিয়েছে গোষ্ঠীকোন্দল। শুক্রবার দিলীপ ঘোষকে গিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন একাংশ। প্রতি লোকসভা ধরে ধরে দলের সাংগঠনিক বৈঠক করছেন দিলীপ ঘোষ। দক্ষিণবঙ্গের বৈঠক হয়ে যাওয়ার পর এবার তিনি রাজ্য নেতাদের নিয়ে বসতে চাইছেন।

গতবারের পুনরাবৃত্তি যেন না হয় এবার, হুঁশিয়ারি
এর আগে মে মাসে একটি বৈঠক ডেকেছিল বিজেপি। সেই বৈঠকে পাঁচজনের মধ্যে গরহাজির ছিলেন তিনজন সাধারণ সম্পাদক। গরহাজির ছিলেন ১২ জন সহসভাপতির মধ্যে আট জন। রাজ্য সম্পাদকদের মধ্যেও অনেকে ছিলেন না। এবার যাতে তা না হয়, জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য নেতৃত্বের তরফে। কেন্দ্রীয় নেতারা থাকবেন না। দিলীপ ঘোষ ছাড়াও থাকবেন রাজ্য সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।












Click it and Unblock the Notifications